ছবি: সংগৃহীত
৪৮ দলের বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে অনেকেই শঙ্কায় ছিলেন বড় দলের সামনে ছোট দলগুলো স্রেফ উড়ে যাবে। তবে বাস্তবতা ভিন্ন।
বিশ্বকাপে আসলে ছোট দল বলতে কিছু নেই। সবাই এই মঞ্চে এসেছে নিজেদের মেলে ধরার জন্যই। বিশ্বকাপে ‘দুর্বল’ মহাদেশ হিসেবে খ্যাত এশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করা দেশগুলোও জ্বলে উঠছে এবার।
চেক রিপাবলিককে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমে এশিয়ার জয়ের গল্প লেখা শুরু করে দক্ষিণ কোরিয়া।
তবে তুলনামূলক শক্তিশালী হওয়ায় এই ম্যাচকে চমক বলা আসলে ঠিক হবে না। আসল চমক শুরু হয় ‘ডার্ক হর্স’ খ্যাত সুইজারল্যান্ডকে যখন শেষ মিনিটের গোলে রুখে দেয় কাতার। এর আগে বিশ্বকাপে তিন ম্যাচ খেলে তিনটিতেই হেরে যাওয়া দলটা প্রথমবারের মতো ১-১ ড্র করে পেয়েছে পয়েন্ট।
এরপর শক্তিশালী নেদারল্যান্ডসকে থামায় সূর্যোদয়ের দেশ জাপান।
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র করে দুর্দান্ত এক কামব্যাকের গল্পই লিখেছে জাপান।
মহাদেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া আলাদা হলেও এশিয়া অঞ্চল থেকেই বাছাইপর্ব শেষ করে বিশ্বকাপে উঠেছে দেশটি। সে হিসেবে একে এশিয়ার ফুটবল শক্তি ধরলে ভুল হওয়ার কথা না। সেই অস্ট্রেলিয়াই আর্দ-ইলদিজদের তুরস্ককে ২-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে লিখেছে রূপকথা।
গত রাতে দুইবারের বিশ্বকাপজয়ী দল উরুগুয়েকে তো প্রায় হারিয়েই দিয়েছিল সৌদি আরব।
শেষ মুহূর্তের গোলে কোনমতে ড্র করে সম্মান বাঁচায় লাতিন আমেরিকার দেশটি।
এশিয়ার হয়ে আজ সকালের ম্যাচে হারের শঙ্কায় পড়েছিল ইরান। তবে দুইবার পিছিয়ে পড়ে দুইবারই গোল শোধ করে হার এড়ায় দলটি।