Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

মৌসুমের প্রথম কালবৈশাখী, বজ্রপাতে ৪জনের মৃত্যু

রাজগঞ্জ(মণিরামপুর)প্রতিনিধি রাজগঞ্জ(মণিরামপুর)প্রতিনিধি
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল,২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম
আপডেট : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল,২০২৬, ১২:৪২ পিএম
মৌসুমের প্রথম কালবৈশাখী, বজ্রপাতে ৪জনের মৃত্যু

ভেঙ্গেপড়েছে ভাসমান সেতুর একাংশ ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া

বৈশাখের ৩য় দিন দুপুরে যশোরাঞ্চলে আঘাত হেনেছে কালবৈশাখীর ঝড়। সাথে ছিল বজ্রবৃষ্টি। এসময় বজ্রপাতে ৪জনের মৃত্যু হয়েছে। মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জে ঝাপা ভাসমান সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যান্য স্থানে গাছপালা ভেঙ্গে গেছে।

মণিরামপুর প্রতিনিধি জানান, রাজগঞ্জ এলাকায় বিদ্যুৎ পুল ভেঙ্গে বিদ্যুৎ  সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ভাসমান সেতুর দুই পাড়ের মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে মাঠের আধাপাকা ও কাঁচা বোরো ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে। মনিরামপুর উপজেলার শাহপুর গ্রামে মাঠ থেকে ফেরার পথে বজ্রপাতে লুৎফর সরদার (৭২) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে ঝড়-বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। তার স্ত্রী অল্প দূরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।
চৌগাছা প্রতিনিধি জানান,  উপজেলার আড়কান্দি গ্রামে বজ্রপাতে একটি বিশাল কড়ই গাছ মগডাল থেকে গোড়া পর্যন্ত দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। গাছটির বিভিন্ন অংশ ছিটকে দূরে পড়ে। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর ও দামুড়হুদা উপজেলায় পৃথক বজ্রপাতে এক কিশোরসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন—জীবননগরের ঘোষনগর গ্রামের রাসেল হোসেন (২৫) এবং দামুড়হুদার পারকৃষ্ণপুর গ্রামের আজিমুদ্দিন (১৫)। তারা মাঠে কাজ ও খাবার নিয়ে যাওয়ার সময় বজ্রপাতে মারা যান।

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বাথানগাছি গ্রামে বৃষ্টির মধ্যে বাড়ির কাজ করার সময় বজ্রপাতে রোজিনা খাতুন (৩২) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। ‎রোজিনা খাতুন বাথানগাছি গ্রামের মিজানুর রহমানের স্ত্রী।

‎প্রতিবেশী আব্দুর রহমান জানান, বৃষ্টির মধ্যে গৃহস্থালির কাজ করছিলেন রোজিনা খাতুন। ওই সময় আকস্মিক বজ্রপাত তিনি গুরুতর আহত হন। স্বজনরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

‎যশোর বিমান বাহিনীর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ঘাঁটি নিয়ন্ত্রিত আবহওয়া অফিস সূত্রে জানা যায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল ১৬ মিলিমিটার। বেলা ১ টা ১৫ মিনিটে ঝড়ো হাওয়ার গতি বেগ ছিল ঘন্টায় ১৬ নটিক্যাল মাইল। যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জেনারেল ম্যানেজার হাদিউজ্জামান জানিয়েছেন, ১৬টি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে। অসংখ্য জায়গায় গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে গেছে। যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোশাররফ হোসেন বলেন, মৌসুমের এই বৃষ্টি সার্বিক দিয়ে ফসলের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। বিশেষ করে ধানের জন্য খুবই প্রযোজন ছিল। সবজির জন্য অনেক দরকার ছিল। শিলাবৃষ্টি হয়েছে তবে এতে ফসলের খুব বেশি ক্ষতি হবে না। তবে কলা এবং পেপে গাছের কিছু ক্ষতি হয়েছে। তবে সার্বিক দিক বিবেচনায় ফসলের খুব বেশি ক্ষতি হবে না।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)