Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

ইরানকে অস্ত্র দিলেই গুনতে হবে ৫০% শুল্ক: ট্রাম্পের হুমকি

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল,২০২৬, ১২:২৬ পিএম
ইরানকে অস্ত্র দিলেই গুনতে হবে ৫০% শুল্ক: ট্রাম্পের হুমকি

 

তেহরানের আকাশে যখন যুদ্ধের মেঘ সরিয়ে দুই সপ্তাহের এক স্বস্তির যুদ্ধবিরতি নেমে এসেছে, ঠিক তখনই ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বিশ্বমঞ্চে নতুন করে শুরু হলো তপ্ত আলোচনা। ট্রাম্পের বার্তা পরিষ্কার ; ইরানের হাতে অস্ত্র তুলে দিলে, মার্কিন শুল্কের হাত থেকে নিস্তার পাবে না কোনো দেশই।

বুধবার নিজের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে এক বিস্ফোরক পোস্টে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, যেসব দেশ ইরানকে সামরিক অস্ত্র সরবরাহ করবে, তাদের ওপর কোনো রকম ছাড় বা ব্যতিক্রম ছাড়াই অবিলম্বে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ট্রাম্প মূলত ইরানের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পথটি সম্পূর্ণ রুদ্ধ করে দিতে চাইছেন।

তবে ট্রাম্পের এই হুঙ্কার যতটা জোরালো, তার আইনি ভিত্তি ততটাই অস্পষ্ট। বিশ্লেষকরা একে ‘ফাঁকা হুমকি’ হিসেবেই দেখছেন। এর কারণ হলো, গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের অত্যন্ত শক্তিশালী অস্ত্র ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট’ (IEEPA)-এর ক্ষমতা সংকুচিত করে দিয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে ঢালাও শুল্ক আরোপ করা ট্রাম্পের ক্ষমতার বহির্ভূত। এমনকি নিম্ন আদালত ইতোমধ্যে এক বছরে সংগৃহীত ১৬৬ বিলিয়ন ডলার ফেরত দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে।

সেন্টার ফর এ নিউ আমেরিকান সিকিউরিটির ফেলো র‍্যাচেল জিয়েম্বা বলেন, IEEPA (ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট) বাতিল হওয়ার পর এটি বাস্তবায়ন করা এখন অনেক বেশি জটিল। ট্রাম্পের হাতে এখন কোনো জাদুকরী বোতাম নেই যা দিয়ে তিনি চাইলেই এটি করতে পারেন।

যদিও ট্রাম্প সরাসরি কোনো দেশের নাম নেননি, তবে ইঙ্গিত যে চীন এবং রাশিয়ার দিকে, তা বুঝতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই। চীন থেকে সুপারসনিক মিসাইল এবং ড্রোন যন্ত্রাংশ ইরানে যাওয়ার অভিযোগ পুরনো। আটলান্টিক কাউন্সিলের জশ লিপস্কির মতে, এটি মূলত চীনকে দেওয়া একটি সরাসরি বার্তা। তবে আগামী মে মাসে বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সাথে ট্রাম্পের বৈঠকের কথা রয়েছে। সেই সফরের আগে তিনি সত্যিই এমন কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে সম্পর্ক বিষিয়ে তুলবেন কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রুশ পণ্য আমদানি এমনিতেই তলানিতে। ৩.৮ বিলিয়ন ডলারের যেটুকু আমদানি অবশিষ্ট আছে, তা সার কিংবা ইউরেনিয়ামের মতো জরুরি কাঁচামালের। সেখানেও নতুন শুল্ক আরোপ করলে চড়া দাম দিতে হবে।

ট্রাম্পের এই হুমকি বিশ্ববাসীকে দেখিয়ে দিচ্ছে যে—হয়তো তিনি আগের চেয়ে বেশি কঠোর হতে চান, কিন্তু আইনি বাধ্যবাধকতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির জটিল সমীকরণ তাকে কতটা সুযোগ দেবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়। সূত্র: আল-জাজিরা

ধ্রুব/এস.আই

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)