নিজস্ব প্রতিবেদক
শহরের আরবপুর মোড়ে ‘বাবলু ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ’-এ সশস্ত্র হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট এবং দীর্ঘদিনের আর্থিক লেনদেন অস্বীকারের অভিযোগ এনে সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন । ছবি: ধ্রুব নিউজ
জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং জেলার বিভিন্ন স্থানে চলমান অসহনীয় লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে যশোরে মোমবাতি মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) যশোর জেলা শাখার উদ্যোগে শহরের ভৈরব চত্বরে সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
জাতীয় নাগরিক পার্টি যশোর জেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী মোহাম্মদ নুরুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইয়াহিয়া জিসান।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা জ্বালানি তেলের অযৌক্তিক মূল্য বৃদ্ধি ও দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ের কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগের তীব্র সমালোচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান। তারা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত। অবিলম্বে এই জনদুর্ভোগ লাঘব করতে হবে।
সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বক্তারা আরও বলেন, "জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সারা বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সংগ্রামে রত। আমরা স্পষ্ট বলতে চাই, অবিলম্বে জনগণের দাবি মেনে নিন। আজ আমরা মোমবাতি জ্বালিয়ে যে প্রতিবাদ মিছিল করছি, এটার ভাষা বুঝে জনগণের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করুন এবং অবিলম্বে জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে মানুষের চলার গতিকে স্বাভাবিক করুন। তা না হলে জনগণের শক্তি যদি মাঠে নেমে আসে, তাহলে আপনারা স্বাভাবিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারবেন না।"
বক্তারা সরকারকে উদ্দেশ্য করে আরও বলেন, "জনগণের ভাষা বুঝে জ্বালানি তেল এবং দেশজুড়ে চলমান লোডশেডিংয়ের সমস্যাকে গুরুত্ব দিন। জ্বালানি সেক্টরকে সর্বাধিক অগ্রাধিকার দিয়ে, প্রয়োজনে ভর্তুকি দিয়ে হলেও নাগরিকদের অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখুন।" বক্তারা জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ে শান্তিপূর্ণ গণআন্দোলন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ সময় কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি যশোর জেলা শাখার যুগ্ম সমন্বয়কারী সাজিদ সারোয়ার, জেলা শাখার যুগ্ম সমন্বয়কারী সালমা আক্তার আশা, যুবশক্তির আহ্বায়ক এমদাদ হোসাইন, যুবশক্তির মুখ্য সংগঠক সোহানুর রহমান সোহাগ, যুবশক্তির যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল নাদিম এবং সদর উপজেলার সংগঠক ফরাদ হোসেনসহ দলীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ নাগরিকবৃন্দ।