Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

ইস্তাম্বুলে তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তান জোটের প্রথম শীর্ষ প্রতিরক্ষা বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : সোমবার, ৩১ আগস্ট,২০২৬, ১২:১১ এ এম
ইস্তাম্বুলে তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তান জোটের প্রথম শীর্ষ প্রতিরক্ষা বৈঠক

তুরস্ক-পাকিস্তান-সৌদি আরবের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি 'মক্কা চুক্তি' স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ছবি: রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনীতি ও বাড়তে থাকা সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এক ছাতার নিচে এসেছে তিন প্রভাবশালী মুসলিম দেশ—তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান। সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ ও মার্কিন মিত্র এই তিন দেশের নবগঠিত আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক আজ সোমবার (৩১ আগস্ট) তুরস্কের ঐতিহাসিক শহর ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সম্মেলনে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সেনাপ্রধানরা সরাসরি অংশ নিচ্ছেন।

​তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানা গেছে, চলতি বছরের ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি'-র ভিত্তিতেই এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন। ন্যাটোর বিখ্যাত 'আর্টিকেল ৫'-এর আদলে তৈরি এই চুক্তির মূল ভিত্তি হলো সম্মিলিত সুরক্ষা। চুক্তি অনুযায়ী, মিত্র তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর বহিরাগত সশস্ত্র হামলা বা আগ্রাসন চালানো হলে, তা বাকি দুই দেশের ওপরও হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে এবং যৌথভাবে তার প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।

​ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমাগত বাড়তে থাকা সামরিক অস্থিরতা এবং সাম্প্রতিক সময়ে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল স্থাপনাগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাই মূলত এই তিন দেশকে দ্রুত একটি যৌথ সামরিক কাঠামো তৈরিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। দীর্ঘদিন ধরে অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি থাকলেও ইরান-ইসরায়েল সংঘাত ও আঞ্চলিক অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে ওয়াশিংটন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না বলে মনে করছে দেশগুলো। উপরন্তু, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরও কঠোর করায় পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত রূপ নিয়েছে। এসব ইস্যুতে তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানের কৌশলগত অবস্থান প্রায় অভিন্ন।

​আজকের ইস্তাম্বুল বৈঠকে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিশ্লেষণের পাশাপাশি তিন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে যৌথ সমন্বয় বৃদ্ধি, সামরিক সক্ষমতা জোরদার এবং প্রতিরক্ষা শিল্প খাতে যৌথ উৎপাদন ও প্রযুক্তি বিনিময়ের ওপর জোর দেওয়া হবে।

​ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তি তুরস্কের কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন যে, এই সামরিক ঐক্য বিদ্যমান অন্য কোনো জোটের বিকল্প নয়, বরং এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার একটি উদ্যোগ। পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান এবং বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবের সমন্বয়ে গঠিত এই জোটে ভবিষ্যতে মিসরের মতো অন্যান্য প্রভাবশালী দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে পরিসর আরও বড় করার পরিকল্পনাও রয়েছে আঙ্কারার।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)