Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনের হামলায় এক নাবিকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : রবিবার, ২৬ জুলাই,২০২৬, ১০:০৫ পিএম
ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনের হামলায় এক নাবিকের মৃত্যু

ইউক্রেনীয় হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ছবি: সংগৃহীত

কাস্পিয়ান সাগরে ইরানের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী। গত ২৫ জুলাই (শনিবার) ভোরের দিকে সংঘটিত এই হামলায় জাহাজের এক নাবিক মারা গেছেন এবং অন্তত আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তেহরান এই ঘটনাকে তাদের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আক্রমণ হিসেবে চিহ্নিত করে কিয়েভকে এর উপযুক্ত ও জোরালো জবাব দেওয়ার চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

​সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। তিনি জানান, কাস্পিয়ান সাগরে সামরিক সরঞ্জাম পারাপারে নিয়োজিত নির্দিষ্ট কিছু নৌযান লক্ষ্য করে তাদের নিরাপত্তা বাহিনী দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহার করে সফল অভিযান চালিয়েছে। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্টের দাবি, হামলার শিকার হওয়া নৌযানগুলো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। তবে কৌশলগত কারণে তিনি নির্দিষ্ট কোনো জাহাজের নাম প্রকাশ করেননি।

​অন্যদিকে ইউক্রেনের প্রধান সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা 'এসবিইউ' তাদের টেলিগ্রাম বার্তায় দাবি করেছে, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা এসব বাণিজ্যিক জাহাজকে ছদ্মবেশ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। সংস্থাটির অভিযোগ, বাহ্যিকভাবে বেসামরিক মনে হলেও এই জাহাজগুলোর মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ইরান ও রাশিয়ার মধ্যে ড্রোন, যুদ্ধাস্ত্র এবং অন্যান্য সামরিক রসদ পরিবহন করা হতো।

​ইউক্রেনের এমন অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা 'ইরনা' দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানায়, শনিবার সকালে কাস্পিয়ান সাগরে ভাসমান ইরানি জাহাজে একটি আকস্মিক বিস্ফোরণ ঘটে। পরবর্তী তদন্ত ও অনুসন্ধানে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, এটি ইউক্রেনীয় বাহিনীর পরিকল্পিত সামরিক হামলা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পুনরায় স্পষ্ট করা হয়েছে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের চলমান সংঘাতে ইরান কখনোই কোনো পক্ষের হয়ে অংশ নেয়নি।

​কিয়োভের এই পদক্ষেপকে একটি 'সশস্ত্র অপরাধমূলক ও বৈরী কর্মকাণ্ড' আখ্যা দিয়ে কঠোর কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান। ঘটনার পরপরই তেহরানে দায়িত্বরত ইউক্রেনের শার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। পাশাপাশি, ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং সমগ্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইউক্রেনের এই আইনবহির্ভূত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার ও উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া জানানোর জোর আহ্বান জানিয়েছেন।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)