Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

সংকটে তৃণমূল, বহিষ্কৃত ঋতব্রত হলেন বিরোধীদলীয় নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : বুধবার, ৩ জুন,২০২৬, ০৯:১২ পিএম
সংকটে তৃণমূল, বহিষ্কৃত ঋতব্রত হলেন বিরোধীদলীয় নেতা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচন ঘিরে সংকটে পড়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস। দলের ৫৮ জন বিদ্রোহী বিধায়ক দল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করেছেন।

বিদ্রোহী বিধায়কেরা আনুষ্ঠানিকভাবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসুর কাছে চিঠি দিয়েছেন। দলনেতা ছাড়াও জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা ও শিউলি সাহাকে ডেপুটি লিডার এবং আখরুজ্জামানকে বিরোধী দলের মুখ্য সচেতক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যে বুধবার বিকেলে রাজ্যের নতুন বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বীকৃতি দিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু।

তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ঋতব্রতসহ ৫৯ জনের সই ওই চিঠিতে রয়েছে এবং আরও ৬ জন পরে সই করবেন বলে জানানো হয়েছে। দলত্যাগ বিরোধী আইন এড়াতে ৫৩ জন বিধায়কের প্রয়োজন ছিল, যা বিদ্রোহীরা অনায়াসেই পার করেছেন।

এই বিদ্রোহের জেরে দলের সব সাংগঠনিক পদ ও কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ, মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস, তৃণমূল যুব কংগ্রেস, ট্রেড ইউনিয়ন ও সংখ্যালঘু সেলেরও সমস্ত কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, সতর্ক বিবেচনার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত কমিটি এবং এর সমস্ত শাখা সংগঠন অবিলম্বে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলো।

বার্তায় আরও বলা হয়েছে, দল এখন প্রতিটি স্তরে আত্মবিশ্লেষণ, কর্মক্ষমতা পর্যালোচনা এবং সাংগঠনিক মূল্যায়নের একটি ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করবে। এই কার্যক্রমের প্রাপ্ত ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে, মূল দল এবং সমস্ত শাখা সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন করা হবে এবং যথাসময়ে তা ঘোষণা করা হবে।

১৫ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গ শাসন করার পর এবার বিজেপির কাছে ক্ষমতা হারায় তৃণমূল কংগ্রেস।

ভোটে হেরে যাওয়ার পর তৃণমূলের তরফে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। পরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের তরফে বিধায়কদের স্বাক্ষর করা একটি দলীয় রেজল্যুশনের চিঠি দেওয়া হয় বিধানসভায়। সেখানে বিষয়টি জানানো হয় এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন করা হয়।

কিন্তু সেই চিঠিতে বিধায়কদের সই জালের অভিযোগ ওঠে দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার তদন্ত শুরু করে সিআইডি। একাধিক বিধায়কের বাড়িতে যান তদন্তকারীরা। নোটিশ দেওয়া হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।

এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিকদের জানান, সই জালের বিষয়টি সামনে এনেছেন তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। তারপরই ওই দুই বিধায়ককে বহিষ্কার করে তৃণমূল কংগ্রেস।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)