ধ্রুব ডেস্ক
ওমানের মাসকাটে নোঙর করে আছে ‘লুজিয়াশান’ নামের একটি ট্যাংকার। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংকটের মধ্যে তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি দেওয়ায় ৭ মার্চ মাসকাটে এ দৃশ্য দেখা যায়ছবি: রয়টার্স
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান মাইন বসাতে শুরু করেছে বলে মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে।
বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সংকীর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রতিবেদন সম্পর্কে অবগত আছে, এমন দুটি সূত্র জানিয়েছে, মাইন বসানোর কাজ এখনো খুব একটা ব্যাপক নয়। গত কয়েক দিনে গুটিকয়েক মাইন বসানো হয়েছে।
তবে একটি সূত্র বলেছে, ইরানের হাতে এখনো ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ক্ষুদ্র যুদ্ধযান ও মাইন স্থাপনকারী জাহাজ অক্ষত রয়েছে। ফলে দেশটি চাইলে এ জলপথে কয়েক শ মাইন ছড়িয়ে দিতে পারে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বর্তমানে দেশটির নৌবাহিনীর পাশাপাশি এ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ করছে। তাদের বিচ্ছিন্নভাবে মাইন স্থাপনকারী যান, বিস্ফোরক বোঝাই নৌকা এবং উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ব্যবহার করার সক্ষমতা রয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার নিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে কোনো মাইন বসিয়ে থাকে—যদিও আমাদের কাছে এমন কোনো নিশ্চিত খবর নেই—তবে আমরা চাই সেগুলো অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়া হোক!’
ট্রাম্প আরও বলেন, যদি মাইন বসানো হয়ে থাকে এবং সেগুলো সরানো না হয়, তবে ইরানকে ‘নজিরবিহীন’ পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে। তবে তেহরান যদি বসানো মাইনগুলো সরিয়ে নেয়, তবে তা হবে ‘সঠিক পথে এক বিশাল পদক্ষেপ’।
ধ্রুব/এস