❒ অগ্নিপরীক্ষায় ডোনাল্ড ট্রাম্প, চ্যালেঞ্জে ডেমোক্র্যাটরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে গত দুই বছরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন কতটা জনবান্ধবমূলক কাজ করেছে তার রায় আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দেবেন মার্কিনিরা। ট্রাম্পের কথায় তার প্রশাসনের সাফল্যে কতটা মার্কিনিরা খুশি তা জানা যাবে আজ। দিনটি তার জন্য অগ্নিপরীক্ষাও বটে। কারণ ভোটাভুটির আগে বিভিন্ন সমীক্ষায় রিপাবলিকানদের চেয়ে ডেমোক্র্যাটরাই এগিয়ে আছেন। তবে এই জনমত জরিপ সব সময় ভালো ফল দেয় না এমন প্রমাণও আছে। ফলে ২০২৪ সালের নভেম্বর ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসে হারানো নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তাই এই নির্বাচন ডেমোক্র্যাটদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ বর্তমান অবস্থা বহাল থাকলে আগামী দুই বছর অনায়াসে কোনো চাপ ছাড়াই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার কাজ চালিয়ে যাবেন, যা ডেমোক্র্যাটদের জন্য সুখকর নাও হতে পারে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিয়ে খুশি নন মার্কিনিরা। পরিস্থিতি এমন যে, প্রতিশ্রুতি মতো অভিবাসন নিয়ে একের পর এক কড়া পদক্ষেপের পরেও ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে একাধিক সমীক্ষায় রিপাবলিকানদের জন্য উঠে এসেছে উদ্বেগজনক চিত্র। দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত পাঁচটি রাজ্যে সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা জোরালো লড়াইয়ে উঠে এসেছেন। কোথাও এগিয়ে তারা, কোথাও আবার হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। যদিও সরাসরি প্রেসিডেন্ট বেছে নেওয়ার ভোট নয় এটি, তবে এই ভোটের ফলই নির্ধারণ করবে আগামী দুই বছর প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন তার ক্ষমতা কাটছাঁট করা হবে কি না। এমনকি ডেমোক্র্যাটরা জিতলে তার প্রশাসনের কেউ কেউ অভিশংসনেরও মুখোমুখি হতে পারেন। আলাস্কা, আইওয়া, কানসাস, ওহাইও এবং টেক্সাস—এই পাঁচ রাজ্যে নিউ ইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষায় ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে হ্রাসের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে এই রাজ্যগুলোর অধিকাংশেই জয় পেয়েছিলেন ট্রাম্প।
পাঁচ রাজ্যে কী বলছে সমীক্ষা?
২ অক্টোবর প্রকাশিত আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলির সমীক্ষা অনুযায়ী, আলাস্কায় ডেমোক্র্যাট প্রার্থী মেরি পেলটোলা ৫০ শতাংশ এবং রিপাবলিকান ড্যান সুলিভান ৪৩ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন। আইওয়ায় রিপাবলিকান অ্যাশলি হিনসন ৪৮ শতাংশ এবং ডেমোক্র্যাট জশ টুরেক ৪৭ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন। কানসাসে রিপাবলিকান রজার মার্শাল ও ডেমোক্র্যাট অ্যাডাম হ্যামিল্টন দুজনেই ৪৫ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন। অন্যদিকে, ওহাইও ডেমোক্র্যাট শেরড ব্রাউন ৪৯ শতাংশ এবং রিপাবলিকান জন হাস্টেড ৪৬ শতাংশ সমর্থন পেয়েছেন। টেক্সাসে ডেমোক্র্যাট জেমস তালারিকো ৫১ শতাংশ সমর্থন নিয়ে এগিয়ে। সেখানে রিপাবলিকান কেন প্যাক্সটনের ঝুলিতে সমর্থন ৪৫ শতাংশ। অর্থাত্, সমীক্ষা অনুযায়ী, পাঁচ রাজ্যের মধ্যে তিনটিতে ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে, কানসাসে সমানে-সমানে লড়াই এবং আইওয়ায় সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রিপাবলিকানরা।
ট্রাম্পের কাজে অসন্তুষ্ট ভোটারদের একাংশ
সমীক্ষার আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, পাঁচ রাজ্যের ৫৭ শতাংশ ভোটার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের সরকার পরিচালনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অর্থনীতি, মূল্যবৃদ্ধি এবং জীবনযাত্রার খরচ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ২১ শতাংশ ভোটার জানিয়েছেন, ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে অর্থনীতিই তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মূল্যবৃদ্ধি, প্রার্থীর যোগ্যতা এবং অভিবাসন নীতিও ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে। এদিকে এনপিআর, পিবিএস নিউজ জেস মারিস্ট জিআইয়ের পৃথক সমীক্ষায় জাতীয় স্তরেও ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সম্ভাব্য ভোটারদের মধ্যে ৫২ শতাংশ ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে এবং ৪৪ শতাংশ রিপাবলিকান প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। স্বাধীন ভোটারদের মধ্যেও ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ৫২ শতাংশ ও রিপাবলিকানদের ৩৯ শতাংশ সমর্থন রয়েছে।
সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কেন এত জল্পনা?
বর্তমানে মার্কিন সিনেটে রিপাবলিকানদের আসন ৫৩টি। ডেমোক্র্যাটদের আসন ৪৭টি। সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পেতে হলে ডেমোক্র্যাটদের অন্তত চারটি আসন বাড়াতে হবে। অর্থাত্, নিজেদের আসনগুলো ধরে রাখার পাশাপাশি রিপাবলিকানদের দখলে থাকা চারটি আসন ছিনিয়ে নিতে হবে। তবে সমীক্ষায় ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে থাকার অর্থ এই নয় যে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিতভাবে তাদের হাতে চলে আসবে। কারণ, একাধিক রাজ্যে দুই প্রার্থীর ব্যবধান খুবই কম। ভোটারদের শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত এবং ভোটদানের হার নির্বাচনের ফল বদলে দিতে পারে।
প্রতিনিধি পরিষদ
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের মতে, প্রতিনিধি পরিষদে চারটি আসন গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, ফ্লোরিডার ২৫তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট : ফ্লোরিডার ২০২৬ সালের নির্বাচনি এলাকা পুনর্বিন্যাসের পর অনুষ্ঠিতব্য প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির বর্তমান সদস্য জ্যারেড মোসকোভিটজ, রিপাবলিকান পার্টির স্কট সিংগারের মুখোমুখি হয়েছেন, যিনি বোকারাটনের সাবেক মেয়র। দ্বিতীয়ত, নিউ ইয়র্কের ১৭তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট : লোয়ার হাডসন ভ্যালিতে রিপাবলিকান দলের বর্তমান প্রতিনিধি মাইক ললার তৃতীয় মেয়াদে জয়ী হওয়ার লক্ষ্যে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কেইট কনলির মুখোমুখি হয়েছেন। এই এলাকায় জীবনযাত্রার ব্যয়, ইসরায়েল এবং ইহুদিবিদ্বেষ—এই বিষয়গুলো প্রচারণার প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে।
তৃতীয়টি হচ্ছে ওহাইওর ৭ম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট। এখানে রিপাবলিকান দলের বর্তমান সদস্য ম্যাক্স মিলার, যিনি ট্রাম্পের হোয়াইট হাউজের সাবেক সহযোগী, ডেমোক্র্যাট ব্রায়ান পয়েনডেক্সটারের মুখোমুখি হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতাটি উচ্চবিত্ত ও শ্রমজীবী পটভূমির মধ্যেকার বিভেদকে তুলে ধরেছে এবং এর পাশাপাশি উভয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক উদ্বেগ ও ব্যক্তিগত অসদাচরণের অভিযোগও রয়েছে। চতুর্থটি হচ্ছে টেক্সাসের ১৫তম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট। দক্ষিণ টেক্সাসের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতাটি অভিবাসন, জীবনযাত্রার ব্যয় সাশ্রয় এবং ল্যাটিনোদের পরিবর্তিত ভোটদানের ধরন দ্বারা প্রভাবিত, যেখানে রিপাবলিকান পার্টির বর্তমান প্রতিনিধি মনিকা দে লা ক্রুজ ডেমোক্রেটিক পার্টির দীর্ঘদিনের তেহানো সংগীত তারকা ববি পুলিডোর মুখোমুখি।
মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন হয়?
যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ চার বছর। অন্যদিকে, কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের সদস্যদের মেয়াদ মাত্র দুই বছর। আর উচ্চকক্ষ সিনেটের সদস্যরা নির্বাচিত হন ছয় বছরের জন্য।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দুই বছর পর, অর্থাৎ তার মেয়াদের মাঝামাঝি সময়ে কংগ্রেসের আসনগুলোতে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, সেটিই মিডটার্ম ইলেকশন বা মধ্যবর্তী নির্বাচন। এ নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে ভোট হয় না। বরং জনগণ ভোট দিয়ে নির্ধারণ করেন, পরবর্তী দুই বছর আইনসভায় তাঁদের প্রতিনিধিত্ব কারা করবেন।
এর মূল উদ্দেশ্য শুধু প্রতিনিধি নির্বাচন নয়; বরং ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ও তার দলের কর্মকাণ্ডের ওপর জনগণের সমর্থন কিংবা অসন্তোষের প্রতিফলন ঘটানো।
প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ভোটাররা পরবর্তী চার বছরের জন্য একজন প্রেসিডেন্ট বেছে নেন। আর মধ্যবর্তী নির্বাচনে তাঁরা মূল্যায়ন করেন, প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর দল কতটা সফল হয়েছে। এ কারণে অনেক সময় মধ্যবর্তী নির্বাচনকে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক অবস্থানের পরীক্ষা হিসেবে দেখা হয়।
কেন এই নির্বাচনকে 'ক্ষমতার ভারসাম্য' আনার ভোট বলা হচ্ছে?
বর্তমানে হোয়াইট হাউসের পাশাপাশি মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষই ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান পার্টির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটরা এই নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেয়ে ট্রাম্পের ক্ষমতার ওপর একটি নতুন আইনি ও রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ (চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স) প্রতিষ্ঠা করতে চায়।
কংগ্রেসে যদি রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায়, তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য নতুন আইন পাস, বাজেট অনুমোদন, শুল্ক নীতি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিরোধী দলের বাধার মুখোমুখি হতে হবে।
এবারের নির্বাচন এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে, দেশটি যুদ্ধে জড়িত এবং ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হিসেবে মেয়াদের সময়ও কমে আসছে। ফলে নির্বাচনের ফলাফলের ওপর আগামী দুই বছরের আইন প্রণয়ন ও সরকারের রাজনৈতিক অবস্থান অনেকটাই নির্ভর করবে।
এদিকে নির্বাচন সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ভূমিকা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কয়েক দশকের প্রচলিত রীতির বাইরে গিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের বিচার বিভাগ সরাসরি নির্বাচনী বিরোধে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সাধারণত কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর সুবিধার জন্য আইন প্রয়োগের ক্ষমতা ব্যবহার হচ্ছে—এমন ধারণা তৈরি এড়াতে বিচার বিভাগ নির্বাচনী বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নেয়।
ভোটারদের প্রধান বিবেচ্য বিষয়সমূহ
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মার্কিন ভোটারদের সিদ্ধান্ত নির্ধারণে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের খরচ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ প্রধান ইস্যু হিসেবে দেখা দিয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের চলমান ইরান যুদ্ধ সংক্রান্ত নীতি এবং মার্কিন সামরিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। অভিবাসন নীতি ও নিয়ন্ত্রণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত প্রসার ও এর নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আইনও এবারের প্রচারণায় বড় ভূমিকা রেখেছে।
বিভিন্ন সাম্প্রতিক জনমত জরিপের সূত্র ধরে সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে যে, মিশিগান, টেক্সাস, কানসাস, মেইন এবং ওহাইওর মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যগুলোতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছেন। তবে আইওয়া সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে।
কংগ্রেসের জন্য এ নির্বাচন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
দুই বছর মেয়াদি নিম্নকক্ষের ৪৩৫টি আসনের সবকটিতেই একযোগে ভোট হবে। বর্তমানে এই কক্ষে রিপাবলিকানদের আসন ২১৮টি, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সংখ্যা। আর ডেমোক্র্যাটদের আসন সংখ্যা ২১৪টি। এর সঙ্গে ১টি স্বতন্ত্র এবং কিছু আসন শূন্য আছে।
ফলে রিপাবলিকানদের হাত থেকে মাত্র তিনটি আসন ছিনিয়ে নিতে পারলেই প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে ডেমোক্র্যাটদের হাতে।
সেনেটের ১০০ সদস্যের সেনেটে আইনপ্রণেতাদের মেয়াদ ছয় বছর। তবে প্রতি দুই বছর পর পর এক-তৃতীয়াংশ আসনে ভোট হয়। এবার সেনেটের ৩৫টি আসনের মধ্যে ১৭টি জিতলেই ৫১টি হয়ে যাবে ডেমোক্র্যাটদের।
ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল আসার পর স্পষ্ট হবে যে আমেরিকার আইনসভা ট্রাম্পের নীতির পক্ষে থাকবে, নাকি ডেমোক্র্যাটদের অধীনে ক্ষমতার নতুন ভারসাম্য তৈরি হবে।