Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

❒ নতুন মন্ত্রিসভা

বাবার পথ ধরে এলেন ৭, প্রথমবার নির্বাচিত হয়েই ঠাঁই পেলেন ৩৩

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি,২০২৬, ০৮:৩৩ এ এম
আপডেট : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি,২০২৬, ০২:৩৫ পিএম
বাবার পথ ধরে এলেন ৭, প্রথমবার নির্বাচিত হয়েই ঠাঁই পেলেন ৩৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়েছে। এর মোধ্যমে দুই দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরল বিএনপি। প্রথমবারেরমতো তারেক রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথমবার সরকার পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গঠন করেছেন নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা। এই মন্ত্রীসভায় ঠাঁই পেয়েছেন ৩৩ জন নবীন সংসদ সদস্য, যারা এবারই সংসদে প্রবেশ করেছেন। আবার মন্ত্রিসভায় ৭জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন, যাদের বাবা অতীতে বিএনপির মন্ত্রিসভায় ছিলেন। প্রবীণ কয়েকজন থাকলেও মন্ত্রিসভায় রয়েছে তারুণ্যের আধিক্য।
মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পরে তাঁর নেতৃত্বে ২৫ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী নিয়ে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করা হয়। এর ৪১ জনই নতুন মুখ। তারা আগে কখনও মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী হননি। এর মধ্যে অনেকে এবারই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারে ২৫ জেলা থেকে কোনো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী করা হয়নি। এমনকি বিএনপির ঘাঁটি বলে পরিচিত নোয়াখালীর কোনো নেতার জায়গা হয়নি মন্ত্রিসভায়। তাছাড়া আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত গোপালগঞ্জসহ কয়েকটি জেলা মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পায়নি। দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জামায়াত অধ্যুষিত এলাকাগুলোও মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী থেকে বঞ্চিত। ঢাকার আশপাশের অনেক জেলাও মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী থেকে বাদ পড়েছে। এসব মন্ত্রপ্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব নিয়েই মোকাবিলা করতে হবে আইনশৃঙ্খলা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং দুর্বল অর্থনীতি সামলানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ।
অনেক অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ নেতার মৃত্যু, অনেকে বয়োবৃদ্ধ, অনেকে অসুস্থ এ সব কারণে এবং বিগত ১৭ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকায় বিএনপিকে নবীন আর প্রবীণের সংমিশ্রণে মন্ত্রিসভা গঠন করতে হয়েছে। আবার যারা এখনও রাজনীতিতে সক্রিয় তাদের বিগত দিনের আমলনামা, ভাবমূর্তির বিষয়টিকেও প্রাধান্য দিয়েছে দলটি।
মন্ত্রীদের মধ্যে বিভিন্ন সংসদে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা রয়েছে ৯ জনের। এর মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমেদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমদ, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, নিতাই রায় চৌধুরী, আসাদুল হাবিব দুলু ও আ ন ম এহছানুল হক রয়েছেন।
বিএনপি নেতারা জানিয়েছেন, নির্বাচনে তারেক রহমানের প্রধান এজেন্ডা দেশের আইনশৃঙ্খলা ঠিক করা। রোজায় এই চ্যালেঞ্জ আরও প্রকট হবে। সেখানে পুলিশের পুনর্গঠন, তাদের মনোবল চাঙ্গা করাসহ মব কালচারের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে অভিজ্ঞ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ২০০১ সালের সরকারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। এবার তাঁকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী করা হয়েছে। এই সেক্টরে অভিজ্ঞ হিসেবে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক এর আগে একই মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আগের অভিজ্ঞতাকে সঙ্গী করে এবার তিনি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিত্ব পেলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিনকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, এবার খাতভিত্তিক একক মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়েছে। এতে মন্ত্রণালয়ের কাজ যেমন সমন্বিত হবে, তেমনি ত্বরিত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়কে একীভূত করা হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়কে নিয়ে একক মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় নিয়ে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় করা হয়েছে। শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে একটি করা হয়েছে। আরও কয়েকটি মন্ত্রণালয়কে একীভূত করা হয়েছে।
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, সাবেক চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক, রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও লুৎফুজ্জামান বাবরের মতো দলের আলোচিত আর অভিজ্ঞ অনেকের স্থান হয়নি এবারের মন্ত্রিসভায়। তাদের মধ্যে কয়েকজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মন্ত্রিসভায়ও ছিলেন। এমনকি তাদের অনেকে তারেকের বিদেশে নির্বাসনকালে এবং খালেদা জিয়ার কারাগারে থাকার সময় দলকে সক্রিয় রাখতে ভূমিকাও রেখেছেন।
এ ছাড়া নতুন মন্ত্রিসভায় গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং এনডিএমের সাবেক চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ দায়িত্ব পেয়েছেন।
তবে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে শরিক হওয়াদের মধ্যে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ভাসানী জনশক্তি পার্টির প্রধান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বা ধর্মভিত্তিক দলগুলোর কোনো নেতার জায়গা হয়নি মন্ত্রিসভায়।

নতুন মন্ত্রিসভায় সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও প্রথমবারের মতো এসেছেন। তারেক রহমানের বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তাঁর মা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। পিতার মৃত্যুর পর মায়ের হাত ধরে যেমন রাজনীতির হাতেখড়ি ঘটে, তেমনি রাষ্ট্র পরিচালনায় মা প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সংস্পর্শে ছিলেন। ফলে পারিবারিকভাবে তিনি অভিজ্ঞতায় এগিয়ে থাকবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দুটি আসন থেকে জয় পেলেও তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দিয়েছেন। ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি শপথ নিয়েছেন। তিনি সংসদে সরকারি দলের নেতা এবং মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
বর্তমান মন্ত্রিসভায় তারেক রহমানসহ ২৫ মন্ত্রীর মধ্যে ১৬ জনই নতুন। এ তালিকায় আছেন– এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, মো. আসাদুজ্জামান, ড. খলিলুর রহমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, মিজানুর রহমান মিনু, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, আফরোজা খানম রিতা, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফকির মাহবুব আনাম ও শেখ রবিউল আলম।
সবচেয়ে চমকের বিষয় হলো, প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া ২৪ জনের কেউই এর আগে মন্ত্রিপরিষদে দায়িত্ব পালন করেননি। তারা হলেন– এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরীফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, মো. আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ, মো. রাজীব আহসান, মো. আবদুল বারী, মীর শাহে আলম, মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (জোনায়েদ সাকি), ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, মো. নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মন্ত্রিসভায় বাবার দেখানো পথে প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন ৭জন। এর মধ্যে যশোর-৩ (সদর) আসন থেকে বিজয়ী হওয়া অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবারই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বিএনপির এক সময়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রয়াত মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের ছেলে। ঢাকা-৬ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। তিনি ঢাকার সাবেক মেয়র ও প্রয়াত মন্ত্রী সাদেক হোসেন খোকার ছেলে। নাটোর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফারজানা শারমিন পুতুল এবারই প্রথম এমপি হয়েছেন। তিনি প্রয়াত সাবেক প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে। চট্টগ্রাম-৫ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনিও এবারই প্রথম সংসদ নির্বাচন করেছেন। তাঁর বাবা মীর নাছির এক সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ছিলেন। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্বও পালন করেন। বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় গেলে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। ফরিদপুর-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপির সাবেক মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত কে এম ওবায়দুর রহমানের মেয়ে। প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই মন্ত্রী হয়েছেন মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানম (রিতা)। তাঁর বাবা প্রয়াত শিল্পপতি হারুনার রশিদ খান মুন্নু ছিলেন মানিকগঞ্জ-২ এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনে চারবারের সংসদ সদস্য; মন্ত্রীও ছিলেন তিনি।
ময়মনসিংহ-৯ আসন থেকে জয়ী হওয়া ইয়াসের খান চৌধুরীর বাবা মো. আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী ১৯৯১ সালের নির্বাচনে একই আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তাঁর চাচা খুররম খান চৌধুরী ছিলেন চারবারের সংসদ সদস্য।
মন্ত্রিসভায় রয়েছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক দুই তারকা।এর মধ্যে একজন মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমদ ও অন্যজন সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক। এক সময়ের গোলরক্ষক আমিনুল হক এখন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের সর্বোচ্চ অভিভাবক। দীর্ঘ জল্পনা আর রাজনৈতিক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে অবশেষে ‘টেকনোক্র্যাট কোটায়’যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক এই অধিনায়ক।
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় ১০ জন উপদেষ্টা রয়েছেন। অভিজ্ঞ এবং সিনিয়র নেতাদের অনেককে মন্ত্রিসভায় স্থান দিতে না পারলেও তাদের অনেককে উপদেষ্টা পরিষদে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টা হলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। এ ছাড়া সাবেক সচিব ইসমাইল জবিউল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা করা হয়েছে পাঁচজনকে। তাঁরা হলেন– হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান, ড. মাহাদী আমিন এবং রাজশাহী এলাকার মন্ত্রী (প্রয়াত) ব্যারিস্টার আমিনুল হকের ভাতিজা রেহান আসিফ আসাদ।
কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, রংপুর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মেহেরপুর, সাতক্ষীরা ও চুয়াডাঙ্গা জেলার ৩০টি আসনের কোনোটিতে বিএনপি জেতেনি। এই ৮টি জেলা থেকেও কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী নেই মন্ত্রিসভায়।
তাছাড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার জন্মস্থান গোপালগঞ্জ থেকে এবার প্রথম তিনজন সংসদ সদস্য পেয়েছে বিএনপি। কিন্তু এ জেলার কেউ মন্ত্রিসভায় জায়গা পাননি। গোপালগঞ্জের মতো মাদারীপুর ও শরীয়তপুরও আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত জেলা হিসেবে পরিচিত। অতীতের প্রায় সব নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা দুটি জেলায় জয়ী হয়েছেন। এবার শরীয়তপুরের তিনটি এবং মাদারীপুরের তিনটি আসনের মধ্যে দুটিতে বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। কিন্তু মন্ত্রিসভায় কেউ জায়গা পাননি।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)