Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ব্যতিক্রম ও বর্ণাঢ্য নববর্ষ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল,২০২৬, ০১:১৮ পিএম
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল,২০২৬, ০২:০৪ পিএম
যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ব্যতিক্রম ও বর্ণাঢ্য নববর্ষ উদযাপন

নববর্ষের নব স্বপ্নে নব উদ্যমে জাগো—এই উদাত্ত আহ্বানে যশোরে উৎসবমুখর ও ব্যতিক্রমী পরিবেশে উদযাপিত হয় নববর্ষ ১৪৩৩ ছবি: ধ্রুব নিউজ

নববর্ষের নব স্বপ্নে নব উদ্যমে জাগো—এই উদাত্ত আহ্বানে যশোরে উৎসবমুখর ও ব্যতিক্রমী পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। আজ মঙ্গলবার সকালে যশোর ঈদগাহ ময়দানে যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে শুরু হয় এই বর্ণাঢ্য উৎসব। প্রথাগত উদযাপনের বা্ইলে ভিন্ন ধারা ও  দেশীয় ঐতিহ্যের সমন্বয়ে সুস্থ  সংস্কৃতি বিকাশের এক নতুন বার্তা দেওয়া হয়েছে এবারের আয়োজনে।

ভোর থেকেই যশোরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নতুন পোশাকে সজ্জিত হয়ে সাংস্কৃতিক কর্মী ও সাধারণ মানুষ ঈদগাহ ময়দানে সমবেত হতে শুরু করেন। অনুষ্ঠানে যশোরের প্রায় ১৫ থেকে ২০টি ইসলামি ও সুস্থ ধারার সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশগ্রহণ করে। শিল্পীদের কণ্ঠে কবিতা আবৃত্তি, লোকগীতি, দেশাত্মবোধক গান এবং জীবনমুখী অভিনয়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠানস্থল প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। পছন্দ-অপছন্দের ভিন্নতা থাকলেও, এবারের আয়োজনে শ্লীলতা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন দর্শকদের নতুন এক অভিজ্ঞতা উপহার দিয়েছে সংগঠনটি। 

যশোর সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা অধ্যাপক গোলাম রসুল এমপি। সুস্থধারার সাংস্কৃতিক চর্চার সাথে জড়িত সকল সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

নববর্ষ উদযাপনের প্রচলিত ধারণা নিয়ে ঠিকানা কালচারাল একাডেমির চেয়ারম্যান কবির বিন সামাদ বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু অনেকের ধারণা এটি কেবল র‍্যালি, মুখোশ বা নির্দিষ্ট কিছু প্রতীকের মধ্যে সীমাবদ্ধ। আমরা এই ধারণা ভেঙে ইসলামি ও সুস্থ ধারার সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে নববর্ষ উদযাপনের গুরুত্ব তুলে ধরছি।

আয়োজকরা বলেন, মানবিক মূল্যবোধ বজায় রেখেও আধুনিকতার সাথে তাল মিলিয়ে একটি রুচিশীল সংস্কৃতি চর্চা করা সম্ভব। অপসংস্কৃতি পরিহার করে কল্যাণকর ও রুচিশীল উৎসব পালন করাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

তারার মেলা শিল্পী গোষ্ঠী যশোরের পরিচালক রোকনুজ্জামান জানান, জেলা প্রশাসনের শোভাযাত্রায় বর্ণিল সাজে বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতি—কৃষক, জেলে ও মাঝি-মাল্লাদের জীবন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। শিশুদের মাধ্যমে এই ঐতিহ্য তুলে ধরার মূল উদ্দেশ্য হলো তাদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করা।

তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন মূলত বাংলাদেশি সংস্কৃতিকে প্রতিটি ধর্ম, বর্ণ ও গোত্রের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলার একটি প্রয়াস। বাংলা নববর্ষ যেন সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালন করতে পারে, আমরা সেই বার্তাই দিতে চাই।

 

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)