Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই,২০২৬, ১২:৩৬ পিএম
৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান  সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে থাকছে

৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ও জাতীয়করণ নিয়ে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এই রায় দেন।

রায়ের পর সংবাদ সম্মেলনে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যে আইনি জটিলতা ছিল, আজকের এই রায়ের মাধ্যমে সেই জটিলতা দূর হলো। সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে আজকের এই রায়টি একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এই কারণে যে শিক্ষকদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এবং পাঠদানের ক্ষেত্রে একটা শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের এক বিধিমালায় বলা হয়েছিল, সদ্য জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান হবে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে।

৩৮৩ জন শিক্ষকের রিট আবেদনে বিধিমালার ওই ধারা অবৈধ ঘোষণা করেছিল হাইকোর্ট। ফলে সাড়ে ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ আটকে যায়। পরে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল গ্রহণ করে আজ  হাইকোর্টের ওই রায় বালিত করে দিয়েছে আপিল বিভাগ। এর ফলে ২০১৩ সালের বিধিমালার ওই ধারা বহাল থাকছে।

মামলার বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, সেখানে যেটা মূল বিষয় ছিল সেটা হচ্ছে যারা অধিগ্রহণস্থ স্কুল যেসব স্কুলে তারা শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘদিন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতেন। অনেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তাদেরকে এই আইনের অধীনে যখন সরকারি করা হয় এবং অধিগ্রহণ করা হয় তখন প্রশ্ন এলো যে তাদের সিরিয়ালটা কেমন হবে? কার আগে কে যাবে? প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিন্তু সরাসরি শিক্ষক নিয়োগ হয়। সুতরাং যারা সরাসরি রিক্রুটেড হয় এবং যারা অধিগ্রহণ করে বেসরকারি স্কুল থেকে আসে তাদের এটা সমন্বয়ের জন্য বলা হলো যে যারা সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন তাদের পরে ওনাদের স্থান থাকবে। এই বিধানটাকে তারা চ্যালেঞ্জ করে এবং আইনের বিধানের ভিত্তিতে হাইকোর্ট একটি রায় দেয়। সেই রায়ে বলা হয়, এই বিধানটা আইনগতভাবে সিদ্ধ হয়নি। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আমরা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিল দায়ের করি এবং আজকে সেই আপিলের চূড়ান্ত রায় হয়েছে।

এর আগে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের সংকট দূর করতে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে নিয়োগ কার্যক্রম আটকে রয়েছে। এ জটিলতা নিরসনে সরকার কাজ করছে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)