Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

জমি অধিগ্রহণ ছাড়া সঞ্চালন লাইন কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৭ মে,২০২৬, ০১:৩৭ পিএম
জমি অধিগ্রহণ ছাড়া সঞ্চালন লাইন কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল

যশোর মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন এলাকায় জমি অধিগ্রহণ না করে কেবল ফসল ও গাছের ক্ষতিপূরণ দিয়ে ২৩০ কেভি উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন স্থাপনের পদক্ষেপ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসাথে, প্রচলিত আইন অনুযায়ী ভূমি অধিগ্রহণ করে কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

গত ৮ মার্চ বিচারপতি রজিক-আল-জলিল এবং বিচারপতি মো: আনোয়ারুল ইসলাম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ প্রদান করেন। সম্প্রতি মামলার সার্টিফাইড কপি হাতে পাওয়ার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সঞ্চালন লাইন স্থাপনের কাজ করছে। যশোর পাওয়ার হাউজে লাইনটি প্রবেশের জন্য মেডিকেল কলেজ সংলগ্ন হরিণার বিলের মধ্য দিয়ে ৩ লাখ ২০ হাজার ভোল্টেজের বৈদ্যুতিক পিলার স্থাপনের কাজ শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। অভিযোগ উঠেছে, যেসব জমির ওপর দিয়ে লাইনটি যাবে, তার মালিকদের অবহিত না করেই জোরপূর্বক কাজ শুরু করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, মেডিকেল কলেজ স্থাপনের পর অনেকে সঞ্চয় ভেঙে এখানে জমি ক্রয় করেছেন, যার প্রতি শতকের বর্তমান মূল্য ৮ থেকে ২০ লাখ টাকা। উচ্চ ক্ষমতার এই লাইন নির্মাণ করা হলে দুই পাশের শত শত মানুষের জমি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে। জমির মালিকরা বাধা দিলে ঠিকাদার পক্ষ ২০২৪ সালের ২০ মে যশোরের জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে জারি করা একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রদর্শন করেন। সেখানে জানানো হয়, বিদ্যুৎ আইন ২০১৮-এর ধারা ৬(২) অনুযায়ী কেবল ক্ষতিগ্রস্ত গাছ ও ফসলের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

এর বিপরীতে সংক্ষুব্ধ জমি মালিকদের পক্ষে রিটকারী মো: আমির হোসেন জুয়েলসহ স্থানীয়রা হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন (নং ১৩৩৭/২০২৬) দায়ের করেন। তাদের দাবি, বিদ্যুৎ আইন ২০১৮-এর ১৪ ধারা এবং ‘স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল আইন ২০১৭’ অনুযায়ী, স্থায়ী স্থাপনা বা সঞ্চালন লাইনের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।

আদালতে পিটিশনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট বিভূতি তরফদার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী ও আহসান হাবিব। শুনানি শেষে আদালত ৪ সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ সচিব, পিডিবির চেয়ারম্যান, পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং যশোরের জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট ৬ জন প্রতিপক্ষকে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

রিটকারী মো: আমির হোসেন জুয়েল জানান, "উচ্চ ভোল্টেজের লাইনের কারণে নিচের ও দুই পাশের জমি স্থায়ীভাবে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। আইন অনুযায়ী জমি অধিগ্রহণ না করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করলে আমরা সাধারণ মালিকরা অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন হব। আমরা ন্যায্য বিচার প্রত্যাশা করছি।"

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)