বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬
Ad for sale 100 x 870 Position (1)
Position (1)

❒ নির্জন বালুচর আর মায়াবী হরিণের দেশে

দক্ষিণের দ্বীপ : যেখানে আকাশ মেশে সাগরে

ড. এস এম তাজউদ্দিন ড. এস এম তাজউদ্দিন
প্রকাশ : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর,২০২৫, ০২:৪৯ পিএম
দক্ষিণের দ্বীপ : যেখানে আকাশ মেশে সাগরে

❒ চর হেয়ার বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা এক অনিন্দ্যসুন্দর দ্বীপ ছবি: লেখক

ডিসেম্বরের শুরু, আকাশে ভাসছে সাদা মেঘের ভেলা। শহর ছাড়লেই তাজা বাতাসে ভরে ওঠে বুক। দেশের যেকোনো জায়গা ঘোরার জন্যই সময়টা দারুণ। তবে ভ্রমণপিপাসুদের জন্য সেরা গন্তব্য হতে পারে উপকূলীয় দ্বীপ আর চর। বঙ্গোপসাগরের মোহনার এই দ্বীপগুলোকে এককথায় বলা যায়—দক্ষিণের দ্বীপ। এ সময় সাগরও থাকে অপেক্ষাকৃত শান্ত। ফলে এই সুযোগে বেড়িয়ে আসা যায় কম ভ্রমণকারীর আনাগোনা কিংবা স্থায়ী বসতিহীন কিছু দ্বীপ। সেখানে অপেক্ষা করছে সাদা বালুর নির্জন সৈকত। কোথাও ঝাউবন, কোথাও সাগরলতার ঝাড়। জোয়ারের সময় তীব্র সাগরগর্জন, ভাটার সময় ঝিনুকে ভরা তটরেখা। রাতে চাঁদের আলোয় ঝলমলে সৈকত, আকাশজোড়া তারা আর উল্কাপাতের দৃশ্য ভ্রমণকে করে তুলবে অবিস্মরণীয়।

বাংলাদেশ এক অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি। এই ছোট ভূখণ্ডে যেমন আছে পাহাড়-সমুদ্র-ঝরনা-হাওর, তেমনি আছে শতবর্ষ পুরোনো ঐতিহাসিক নিদর্শন। অথচ আমরা ভ্রমণ বললেই সাধারণত কেবল সাজেক, কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন, সুন্দরবন কিংবা হাওরগুলোর কথা বলি। যেন ভ্রমণের সংজ্ঞাই সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে এই কিছু জায়গায়। অথচ বাংলাদেশের প্রকৃত সৌন্দর্যের আসল বিস্ময় লুকিয়ে আছে সেই সব কম চেনা জায়গায়, যেগুলো ভ্রমণতালিকায় সচরাচর থাকে না। চর কুকরি মুকরি, মনপুরা, নিঝুম দ্বীপ, ঢালচর, চরমন্তাজ, চর হেয়ার যতটা সুন্দর, সেখানে পৌঁছানো ঠিক ততটাই চ্যালেঞ্জিং। অথচ প্রকৃতির যে নির্জন সৌন্দর্য এদের ভেতরে লুকানো আছে, তা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না।

চর কুকরি মুকরি: মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মোহনায় বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে গড়ে উঠেছে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি চর কুকরি মুকরি। একসময় প্রচুর কুকুর ও ইঁদুর (স্থানীয়ভাবে মেকুর) থাকায় এর নামকরণ হয়েছে। এটি ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটনকেন্দ্র। প্রায় ৮,৫৬২ হেক্টর বনভূমির মধ্যে ২১৭ হেক্টর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে সংরক্ষিত। বসতি ও কৃষি আবাদের জন্য প্রায় ৪ হাজার ৮১০ হেক্টর জমি রয়েছে। মাছ ধরা ও কৃষিকাজ এ এলাকার মানুষের প্রধান পেশা। সমুদ্র, কেওড়া বন এবং নীরব রাতে ক্যাম্পিংয়ের জন্য এটি একটি জনপ্রিয় স্থান। যতদূর চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। ১৯৮৯ সালের ১৪ মে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৩ লাখ ৬০ হাজার একর জমিতে সংরক্ষিত শ্বাসমূলীয় ম্যানগ্রোভ জাতীয় বৃক্ষের বনায়ন শুরু হয়।

প্রকৃতির মাঝে বিলীন একদল পর্যাটক

চর কুকরি মুকরির বনভূমিতে স্থান পেয়েছে গেওয়া, সুন্দরী, পশুর, কেওড়া, নারিকেল, বাঁশ-বেত। এই অভয়াশ্রমে প্রাণীদের মধ্যে রয়েছে চিত্রা হরিণ, বানর, শিয়াল, উদবিড়াল, বন্য মহিষ-গরু, বন মোরগ, বনবিড়াল প্রভৃতি। এছাড়া বক, শঙ্খচিল, মথুরা, বন মোরগ, কাঠময়ূর, কোয়েল ইত্যাদি নানান প্রজাতির পাখি ও সরীসৃপ। চর কুকরি মুকরির বুক চিঁড়ে বয়ে যাওয়া ভাড়ানি খাল মেঘনা নদী হয়ে আছড়ে পড়েছে বঙ্গোপসাগরে। চরের বালিয়াড়ি ধরে ঢালচর অতিক্রম করে সামনে এগোলেই বঙ্গোপসাগর। এখানেও কক্সবাজার কিংবা কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের আবহ খুঁজে পাওয়া যায়। স্থানীয়রা এই জায়গাটিকে ‘ধুম’ নামে চেনে। এছাড়াও দর্শনীয় স্থান হিসেবে রয়েছে নারিকেল বাগান, বালুর ধুম, লাল কাঁকড়া, সাগর পাড়ে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা সমুদ্রসৈকত ও সাগরের গর্জন। এরই মধ্যে পাখি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র, ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন হয়েছে। এছাড়াও পিকেএসএফ ও আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ)-এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় পর্যটকদের জন্য তৈরি হয়েছে বারকানিয়ার ঝিকঝাক ওয়াকওয়ে, জিপ ট্রাকিং, স্পাইডার ট্রাকিং ও ঝুলন্ত ব্রিজ। শীতকালে চর কুকরি মুকরির আসল সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। ক্যাম্পিং করার জন্য শীতকালই উপযুক্ত সময়। এখানে ভ্রমণের জন্য জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস সবচেয়ে আদর্শ সময়।

নির্জনতা ও প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগ করছেন লেখক

চর হেয়ার: চর হেয়ার (Char Hare) বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন স্পট, যা বঙ্গোপসাগরের বুকে জেগে ওঠা এক অনিন্দ্যসুন্দর দ্বীপ; এটি কলাগাছিয়ার চর নামেও পরিচিত। এর চারদিকে রয়েছে চার কিলোমিটার দীর্ঘ বালুকাময় সৈকত, ঝাউবন আর নানা প্রজাতির পাখির কলরব, যা পর্যটকদের কাছে নির্জনতা ও প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য উপভোগের এক নিভৃত ঠিকানা হিসেবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এটি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার দক্ষিণ প্রান্তের সাগর-মোহনায় অবস্থিত। এখানকার বালুকাময় সৈকত সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখায়। দ্বীপের মধ্যে ঝাউবন ও পেয়ারা গাছ রয়েছে, যা অতিথি পাখি ও বন্যপ্রাণীর আনাগোনায় মুখরিত। কক্সবাজার বা কুয়াকাটার মতো পরিচিত স্থানগুলোর ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে ইচ্ছুকদের জন্য এটি একটি আদর্শ গন্তব্য। চর হেয়ার নামের এই দ্বীপের পূর্ব, পশ্চিম ও উত্তরে আছে সাগর-সঙ্গমে আসা নদী, আর দক্ষিণে সাগর। দুহাত মেলে প্রকৃতি এখানে সৌন্দর্য ছড়িয়ে রেখেছে। জেগে ওঠা এই চরের পূর্বদিকে রয়েছে বন বিভাগের সংরক্ষিত সোনারচর বন। পশ্চিমে চর তুফানিয়া, উত্তরে টাইগার দ্বীপ এবং এর পাশে আছে চর কাশেম। এখানে দেখা যাবে লাল কাঁকড়া। দ্বীপটি ঝাউসহ প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠা নানা গাছপালায় পরিপূর্ণ। আছে নানা আকারের ছইলা, কেওড়া, গেওয়া, বাইন, গোলপাতা, হারগুজি, তাম্বুরা কাঁটার ঝোপঝাড়। বক, সারস, শামুকখোল, মদনটাকেরা ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে এসে আশ্রয় নেয় গাছের মগডালে। আর ঝোপগুলো ডাহুক, কোড়াসহ নাম না জানা পাখিদের অভয়ারণ্য।

ঢালচর: ঢালচর (আনন্দ বাজার) চরফ্যাশন উপজেলার একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে, মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনার কাছাকাছি অবস্থিত একটি দুর্গম ও বিচ্ছিন্ন দ্বীপাঞ্চল। এটি কার্যত বাংলাদেশের শেষ সীমানায় অবস্থিত একটি জনপদ। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এ এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ ও নিয়মিত নৌযোগাযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। প্রতিকূল আবহাওয়া, জোয়ার-ভাটা এবং অনিরাপদ ঘাটের কারণে যাতায়াত ছিল ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টসাধ্য। এটি চরফ্যাশন উপজেলার সর্ব-দক্ষিণের ইউনিয়ন, যার আয়তন ৫,১৮২ একর। এটি একটি দ্বীপ যার তিন পাশে মেঘনা নদী এবং একপাশে বঙ্গোপসাগর। ঢালচরের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর, পশ্চিম-উত্তরে চর কুকরি মুকরি, পূর্বে নতুন ঢালচর। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ঢালচর ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ৭,৪৩৬ জন। সাক্ষরতার হার ৪৪.৮%। এ ইউনিয়নে ১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১টি দাখিল মাদ্রাসা ও ৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এখানকার লোকদের প্রধান পেশার মধ্যে রয়েছে মৎস্য শিকার, কৃষি ও পশুপালন। ভোলা জেলা থেকে ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশে যে ইলিশ মাছ রপ্তানি করা হয় তার এক-তৃতীয়াংশ আসে ঢালচর মাছের আড়ৎ থেকে। দর্শনীয় স্থান—উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী ও তারুয়া সমুদ্র সৈকত। গত ২০ বছর ধরে দ্বীপটির পূর্ব দিক থেকে ভেঙে যাচ্ছে। আয়তন দিনদিন কমে যাচ্ছে, যা পর্যটন ও বসতির জন্য হুমকিস্বরূপ।

দ্বীপরাজ্যে বাড়তি পাওয়া নৌ-ভ্রমণ

নিঝুম দ্বীপ: ১৯৪০ সালে বঙ্গোপসাগরের বুকে মেঘনা নদীর মোহনায় প্রায় ১৪ হাজার ৫০ একরের জেগে ওঠা এই চরটি হাতিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে দুই কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর, শান্ত ও নিরিবিলি দ্বীপ। এটি তার ম্যানগ্রোভ বন, হরিণ, বানর ও শীতকালে আসা বিশাল সংখ্যক পরিযায়ী পাখির জন্য বিখ্যাত, যা ২০০১ সালে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। এটি 'চর ওসমান' নামেও পরিচিত ছিল। এখানে গাড়ির হর্ন বা কোলাহল নেই, শুধু ঢেউয়ের শব্দ আর পাখির ডাক শোনা যায়। দ্বীপটি মূলত বাল্লারচর, চর ওসমান, কামলারচর ও মৌলভির চর নিয়ে গঠিত। লোকমুখে শোনা যায়, এখানে বসতি গড়া প্রথম মানুষটির নাম ওসমান। তিনি ছিলেন একজন বাথানিয়া; আর তখন তাঁর নামানুসারেই দ্বীপের নামকরণ করা হয়েছিল।

চর মনপুরা: ভোলা জেলার মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি বিচ্ছিন্ন, নয়নাভিরাম দ্বীপ। এটি তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, হরিণের অভয়াশ্রম, মনপুরা ল্যান্ডিং স্টেশন এবং সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার বিরল সুযোগের জন্য পরিচিত। মনপুরার আয়তন প্রায় ৩৭৩ বর্গ কিলোমিটার। ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মনপুরা’ চলচ্চিত্রটি পর্যটকদের মাঝে এই দ্বীপের আকর্ষণ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। অনেকের ধারণা, মনগাজী নামের এক ব্যক্তি শাহবাজপুর জমিদারের কাছ থেকে এই বিস্তৃত জায়গাটি ইজারা নিয়েছিলেন, তাঁর নাম থেকেই এর নামকরণ। পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে উপজেলা পরিষদের ৫টি দিঘি এবং চৌধুরী ফিসারিজ প্রজেক্ট। মেঘনা নদীর ওপর ৫০০ মিটার দীর্ঘ মনপুরা ল্যান্ডিং স্টেশনটি এখানকার বেশ জনপ্রিয় একটি স্থান। আলমনগর কেওড়া বনে নদীর পাড় ধরে ভিড় করা হরিণের পাল আলাদাভাবে মনপুরার প্রতিনিধিত্ব করে। ছোট-বড় সব মিলিয়ে মোট ১০টি চর রয়েছে এই মনপুরায়। এগুলো হলো—চর মুজাম্মেল, চর পাতালিয়া, চর নিজাম, চর পিয়াল, লালচর, চর শামসুদ্দিন, ডালচর, কলাতলীর চর ও চর নজরুল।

চরমন্তাজ: চরমন্তাজ হলো পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার একটি ইউনিয়ন। এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা নদীর ওপর নির্ভরশীল এবং অনেক পরিবার শত বছর ধরে নৌকায় বসবাস করে আসছে, যা তাদের 'মান্থা' জীবনধারার পরিচয় বহন করে। এটি পর্যটকদের কাছে সোনার চরের পাশে একটি আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে পরিচিত।

চরফ্যাশন: চরফ্যাশন বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত ভোলা জেলায় অবস্থিত একটি শহর। এ শহরটি মূলত চরফ্যাশন বাজারকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। তৎকালীন বরিশালের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এইচ. জে. এইচ. ফ্যাশন সাহেব ১৮৮৫-৮৭ সালের দিকে প্রশাসনিকভাবে এ অঞ্চলের চরগুলির প্রতি দৃষ্টি দেন এবং একটি বাজার স্থাপন করেন। তাঁর নাম অনুসারেই এই এলাকার নাম হয় চরফ্যাশন।

বাংলাদেশ এক অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি। এই ছোট ভূখণ্ডে যেমন আছে পাহাড়-সমুদ্র-ঝরনা-হাওর, তেমনি আছে শতবর্ষ পুরোনো ঐতিহাসিক নিদর্শন। অথচ আমরা ভ্রমণ বললেই সাধারণত কেবল সাজেক, কক্সবাজার, সেন্ট মার্টিন, সুন্দরবন কিংবা হাওরগুলোর কথা বলি। যেন ভ্রমণের সংজ্ঞাই সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে এই কিছু জায়গায়। অথচ বাংলাদেশের প্রকৃত সৌন্দর্যের আসল বিস্ময় লুকিয়ে আছে সেই সব কম চেনা জায়গায়, যেগুলো ভ্রমণতালিকায় সচরাচর থাকে না। চর কুকরি মুকরি, মনপুরা, নিঝুম দ্বীপ, ঢালচর, চরমন্তাজ, চর হেয়ার যতটা সুন্দর, সেখানে পৌঁছানো ঠিক ততটাই চ্যালেঞ্জিং। অথচ প্রকৃতির যে নির্জন সৌন্দর্য এদের ভেতরে লুকানো আছে, তা অন্য কোথাও পাওয়া যায় না।

লেখক :  সহযোগী অধ্যাপক, ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, যশোর।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 225 x 270 Position (2)
Position (2)