ক্রড়িা ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
বৃষ্টিবিঘ্নিত মাচে খেই হারিয়ে ফেলল বাংলাদেশ। বৃষ্টির কারণে ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে আসে ১৫ ওভারে। কিন্তু ৪ বল বাকি থাকতেই ১০২ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা। সিরিজ সমতায় ফেরাতে হলে সফরকারীদের করতে হবে ১০৩ রান।
দুপুর ২টায় খেলা শুরু হলেও মাত্র ৬.৪ ওভারের মাথায় হানা দেয় বৃষ্টি। প্রায় ঘন্টাখানেক বিরতির পর বিকেল সাড়ে ৪টায় পুনরায় শুরু হয়। তবে তখন ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমিয়ে আনা হয় ১৫ ওভারে। একজন বোলার সর্বোচ্চ ৩ ওভার বল করার সুযোগ পান। কিন্তু বিরতির পর মাঠের কন্ডিশন আর সফরকারী বোলারদের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেনি স্বাগতিক ব্যাটাররা।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা মন্দ ছিল না বাংলাদেশের। সাইফ হাসানের (১৬) কল্যাণে ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ২১ রান তোলে টাইগাররা। তবে চতুর্থ ওভারেই ধাক্কা দেন জেইডেন লেনক্স। সাইফের বিদায়ের পর পঞ্চম ওভারে শুরু বাংলাদেশ ভুগে নাথান স্মিথে। ওভারের তৃতীয় বলে তানজিদ হাসান তামিমকে (৬) বোল্ড করার পরের বলেই পারভেজ হোসেন ইমনকে (০) ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান তিনি। ৩৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তখনই চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
বৃষ্টির পর অধিনায়ক লিটন দাস আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টা করেন। ৩টি চার ও ১টি ছয়ে ১৭ বলে ২৬ রান করে তিনি ক্লার্কসনের শিকার হলে বড় সংগ্রহের আশা ফিকে হয়ে যায়। এক প্রান্ত আগলে রাখা তাওহিদ হৃদয় সর্বোচ্চ ৩৩ রানের ইনিংস খেললেও অন্য প্রান্ত থেকে যোগ্য সমর্থন পাননি। শামীম পাটোয়ারী (৩) রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে উইকেট বিলিয়ে দিলে মিডল অর্ডার পুরোপুরি ধসে পড়ে।
ইনিংসের শেষ দিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও রিশাদ হোসেনরা রানের গতি বাড়াতে পারেননি। ১৫তম ওভারের প্রথম দুই বলে শরিফুল ও রিপন মণ্ডলকে বোল্ড করে বাংলাদেশের ইনিংস ১০২ রানে গুটিয়ে দেন বেন সিয়ার্স। নিউজিল্যান্ডের পক্ষে জশ ক্লার্কসন ৩টি, বেন সিয়ার্স ও নাথান স্মিথ ২টি করে উইকেট শিকার করেন। একটি করে পান জেইডেন লেনক্স ও ইস সোধি।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৬ উইকেটে জিতে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় আজকের এই ম্যাচটিই অলিখিত ফাইনাল।