Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

ইতালি কি তবে ফিরছে ২০২৬ বিশ্বকাপে?

ক্রীড়া ডেস্ক ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ : বুধবার, ১ এপ্রিল,২০২৬, ১০:৪৫ পিএম
আপডেট : বুধবার, ১ এপ্রিল,২০২৬, ১১:০২ পিএম
ইতালি কি তবে ফিরছে ২০২৬ বিশ্বকাপে?

টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে ইতালি ছবি: সংগৃহীত

টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়ে ফুটবল বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল ইতালি। বসনিয়ার কাছে প্লে-অফ হারে চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিদায় যখন নিশ্চিত মনে হচ্ছিল, ঠিক তখনই ফুটবলের আকাশে উঁকি দিচ্ছে এক ক্ষীণ আশার আলো। অবিশ্বাস্য শোনালেও সত্যি, একটি বিশেষ সমীকরণে এখনো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেতে পারে আজ্জুরিরা। মূলত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনাই এই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু। ২০২৬ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে, আর বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। যদি কোনো কারণে ইরান বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয় অথবা ফিফা তাদের বহিষ্কার করে, তবে শূন্য হওয়া সেই স্থানে কারা খেলবে তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দেশ নাম প্রত্যাহার করলে সেই জায়গায় কোন দল স্থলাভিষিক্ত হবে, তার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ফিফা কাউন্সিলের। সেক্ষেত্রে বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং এবং বাণিজ্যিক গুরুত্ব বিবেচনায় ইতালির নাম চলে আসতে পারে আলোচনার শীর্ষে।

ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে ইতিমধ্যেই পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পাওয়া গেছে। ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী সম্প্রতি বিশ্বকাপ বর্জনের একটি সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে জানান, "ইরানকে আমরা স্বাগত জানাই, তবে নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের আসা উচিত হবে কি না, সেটা তাদের ভাবা প্রয়োজন।" ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি পরিস্থিতি কিছুটা পরিষ্কার করে বলেছেন, "আমরা আমেরিকাকে বর্জন করেছি, বিশ্বকাপকে নয়।"

ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো স্পষ্টভাবেই ইরানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি জানান, ইরান যোগ্যতা অর্জন করেই সুযোগ পেয়েছে এবং বিশ্বকাপে সেরারাই খেলে। তিনি আশা করেন ইরান মাঠেই থাকবে। যদি ইরান শেষ পর্যন্ত না খেলে, তবে ইতালির অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ফুটবল বোদ্ধাদের মধ্যে দ্বিমত রয়েছে। সমালোচকদের মতে:

মহাদেশীয় কোটা: ইরান একটি এশিয়ান (এএফসি) দল। তাই তারা সরে দাঁড়ালে সেই স্পটটি এশিয়ারই কোনো দলের পাওয়া উচিত।

ইউরোপের আধিপত্য: ইতালিকে সুযোগ দেওয়া মানে ইউরোপ (উয়েফা) থেকে বাড়তি একটি দল খেলানো, যা মহাদেশীয় ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।

ইতালির বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন এখন পুরোপুরি ঝুলে আছে 'যদি, কিন্তু, তবে'-র ওপর। তবে ফুটবল প্রেমীদের বড় একটি অংশ মনে করছে, খেলার মাঠে যারা যোগ্যতা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের টেবিলের সিদ্ধান্তে বিশ্বকাপে নেওয়া ফুটবলের স্পিরিটের সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

এখন দেখার বিষয়, ফিফা শেষ পর্যন্ত কোন পথে হাঁটে।

 

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)