Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

আজ চন্দ্র গ্রহণ ও ‘ব্লাড ওয়ার্ম মুন’

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ,২০২৬, ০৯:২৮ এ এম
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ,২০২৬, ০৯:৩৬ এ এম
আজ চন্দ্র গ্রহণ ও ‘ব্লাড ওয়ার্ম মুন’

ব্লাড মুন ছবি: সংগৃহীত

 

আজ চন্দ্র গ্রহণ। ২০২৬ সালের প্রথম এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণটি জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় ‘ব্লাড ওয়ার্ম মুন’ নামে পরিচিত। আজকের পর ২০২৮ সালের আগে বিশ্ববাসী আর কোনো পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের দেখা পাবে না। তাই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, আজকের এই বিরল সুযোগটি হাতছাড়া করা উচিত নয়। কারণ, পরবর্তী পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের জন্য আমাদের ২০২৮ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আকাশ পরিষ্কার থাকলে বাংলাদেশে চন্দ্রোদয়ের ঠিক পর থেকেই গ্রহণের শেষ অংশ দেখার সুযোগ মিলবে।

মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, ৩ মার্চ হওয়া চন্দ্রগ্রহণটি হবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। এদিন একইসঙ্গে পূর্ণিমা ও পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। তাই চাঁদ এক বিশেষ রক্তিম বা তামাটে আভা ধারণ করবে। বিরল এ মহাজাগতিক দৃশ্য ‘ব্লাড ওয়ার্ম মুন’ বা ‘ব্লাড মুন’ নামেও পরিচিত।

 

বাংলাদেশ থেকেও গ্রহণটি দেখা যাবে। তবে তা দৃশ্যমান হবে আংশিকভাবে। ভারতবর্ষে দৃশ্যমান হবে গ্রহণটি।

 

বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৪ মিনিট থেকে শুরু হবে চন্দ্রগ্রহণ যা চলবে ৬টা ৩ মিনিট পর্যন্ত। গ্রহণটি ৫৯ মিনিট স্থায়ী হবে। তবে বিশ্বে পুরো গ্রহণটি চলবে  রাত ৮:২৩ মিনিট পর্যন্ত।

 

বাংলাদেশ ও ভারত ছাড়া বিশ্বের অনেক দেশে গ্রহণটি স্পষ্ট দেখা যাবে। পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণটি সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে।

 

এছাড়া উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিমাংশে ভোরের দিকে এটি দৃশ্যমান হবে। তবে ইউরোপ ও আফ্রিকার আকাশ থেকে এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে না।

ব্লাড মুনের মহাজাগতিক এ দৃশ্য খালি চোখে নিরাপদে দেখা সম্ভব। তাই পূর্ণিমার চাঁদে লাগা বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ দেখার অপেক্ষায় বিশ্ববাসী। 

আইএসপিআরের তথ্যমতে, আজ দুপুর ২টা ৪২ মিনিট ৩৬ সেকেন্ডে চাঁদ উপচ্ছায়ায় প্রবেশের মাধ্যমে গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। পূর্ণগ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৫টা ৩ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে এবং কেন্দ্রীয় গ্রহণ হবে বিকেল ৫টা ৩৩ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে। এই গ্রহণের সর্বোচ্চ মাত্রা হবে ১.১১৫। 
নাসা জানিয়েছে, পুরো মহাজাগতিক প্রক্রিয়াটি ৫ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলবে, যার মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা চাঁদকে টকটকে লাল দেখা যাবে।
 
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ থেকে পূর্ণগ্রাস অংশটি সরাসরি দেখা না গেলেও চন্দ্রোদয়ের পর থেকে রাত ৮টা ২৪ মিনিট ৪২ সেকেন্ড পর্যন্ত গ্রহণের শেষ অংশ দেখা যাবে।

বিজ্ঞান সংস্থারি মতে বাংলাদেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে গ্রহণ দেখার  যেতে পারে ভিন্ন সময়ে। প্রধান শহরগুলোতে চন্দ্রোদয়ের পর গ্রহণ শুরু ও শেষ হওয়ার একটি সময়ের ছক-
 

শহর            গ্রহণ শুরু (সন্ধ্য)             গ্রহণ শেষ (রাত)
ঢাকা            ৬টা ০১ মি. ১২ সে.           ৮টা ২৪ মি. ৪২ সে.
চট্টগ্রাম         ৫টা ৫৬ মি. ২৪ সে.         ৮টা ১৯ মি. ৫৪ সে.
সিলেট          ৫টা ৫৪ মি. ৩০ সে.          ৮টা ১৮ মি. ০০ সে.
রাজশাহী       ৬টা ০৭ মি. ৩৬ সে.         ৮টা ৩১ মি. ০৬ সে.
খুলনা            ৬টা ০৫ মি. ১২ সে.          ৮টা ২৮ মি. ৪২ সে.
বরিশাল          ৬টা ০১ মি. ৫৪ সে.          ৮টা ২৫ মি. ১২ সে.
রংপুর             ৬টা ০৪ মি. ৩৬ সে.         ৮টা ২৮ মি. ০৬ সে.
ময়মনসিংহ     ৬টা ০০ মি. ২৪ সে.         ৮টা ২৩ মি. ৪৮ সে.

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)