ধ্রুব ডেস্ক
এভাবে কাদায় আটকে ছিল ৪টি মহিষ ছবি: সংগৃহীত
পশুর ওপর চরম অবহেলার শাস্তি হিসেবে আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন ঝিনাইদহের মহেশপুরের এক গৃহস্থ। হাঁটুসম কাদার মধ্যে টানা তিন মাস চারটি মহিষ আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে মহিষগুলোকে উদ্ধার করেছে।
ঘটনাটি মহেশপুর উপজেলার গোকুলনগর গ্রামের। স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল আলিম বর্ষা শুরুর পর থেকেই তার চারটি মহিষকে উন্মুক্ত কাদায় বেঁধে রাখতেন। দিন-রাত কাদার মধ্যে পশুগুলোর আটকে থাকা নিয়ে প্রতিবেশীরা ক্ষোভ প্রকাশ করলেও আলিম তাতে কর্ণপাত করেননি। কাদার কারণে পরিবারের অন্য সদস্যরাও পশুর কাছে পৌঁছাতে পারছিলেন না।
ঘটনাটি নজরে এলে নাজমুল হাসান নামে স্থানীয় এক পরিবেশকর্মী মহিষগুলোর দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে ফেসবুকে পোস্ট করেন। পোস্টটি নজরে আসার পরপরই রোববার রাতে সরেজমিনে গোকুলনগর গ্রামে উপস্থিত হন মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন।
ইউএনও ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবলা প্রাণীগুলোকে কাদা থেকে মুক্ত করে পাশের একটি শুষ্ক স্থানে সরিয়ে নেওয়ার আদেশ দেন। একই সঙ্গে তিনি গৃহস্থ পরিবারকে কড়া নির্দেশ দেন যে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পশুর জন্য উপযুক্ত ও শুষ্ক বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যথায় প্রাণী নিষ্ঠুরতা আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে।