❒ যশোর শহরের ৫ পয়েন্টে পুলিশের রোবাস্ট অভিযান
ধ্রুব রিপোর্ট
❒ পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একযোগে ৫ স্থানে পরিচালিত হয় অভিজান ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর শহরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে একযোগে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ‘রোবাস্ট’ অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ। শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত টানা দুই ঘণ্টাব্যাপী এই অভিযানে সরাসরি মাঠে থেকে নেতৃত্ব দেন যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম।
শহরের চাঁচড়া চেকপোস্ট, মনিহার মোড়, দড়াটানা (চারখাম্বা) মোড়, ধর্মতলা মোড় ও নিউমার্কেট এলাকা, এই পাঁচটি পয়েন্টে একযোগে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে মোট ১ হাজার ৪৭৫টি যানবাহন তল্লাশি করা হয়েছে। এ সময় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ৩০টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয় এবং ট্রাফিক আইন ও আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ৩৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। বিশেষ করে হেলমেটবিহীন চালক, উচ্চশব্দের হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারকারী ও বেপরোয়া গতিতে চলাচলকারী মোটরসাইকেল আরোহীদের ওপর কঠোর নজরদারি করা হয়। এই বিশেষ তল্লাশিতে পুলিশ কিংবা সাংবাদিক পরিচয় নির্বিশেষে সকলকেই চেকিংয়ের আওতায় আনা হয়।
অভিযানে অংশ নিয়ে জেলা পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যশোর জেলায় যাতে কোনো ধরনের অরাজকতা, সন্ত্রাস বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড না ঘটে, সে লক্ষ্যে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বিশেষ করে কিশোর গ্যাং ও তরুণ অপরাধীরা মোটরসাইকেল ব্যবহার করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। তারা হাইড্রোলিক হর্ন ও অতিরিক্ত গতিতে শহরে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। এসব অপরাধ কঠোরভাবে দমন করা হবে।’
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জেলার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় জেলা পুলিশ সর্বদা সজাগ রয়েছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।