ধ্রুব রিপোর্ট
যশোর-৫ (মণিরামপুর) ও যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের ১৩টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে ৭টি বৈধ বলে ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার। বাকি ৬টি মনোনয়নপত্র বিভিন্ন ত্রুটির কারণে বাতিল করা হয়েছে।
শনিবার সকালে জেলা কালেক্টরেট ভবনের ‘অমিত্রাক্ষর’ সভাকক্ষে এই যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান এই সিদ্ধান্ত জানান।
বাতিল হওয়া ৬টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ব্যাংক ঋণের গ্রান্টার হিসেবে খেলাপি হওয়ায় যশোর-৬ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী শহিদুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য ত্রুটির কারণে বাদ পড়েছেন। যশোর-৬: জিএম হাসান (জাতীয় পার্টি), যশোর-৫: এম এ হালিম (জাতীয় পার্টি), কামরুজ্জামান (স্বতন্ত্র), এ বি এম গোলাম মোস্তফা (স্বতন্ত্র) ও নজরুল ইসলাম (স্বতন্ত্র)।
রিটার্নিং অফিসার জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের তথ্যে গরমিল ছিল প্রধান সমস্যা। অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের ক্ষেত্রে দলীয় মনোনয়নে অসংগতি, ফরম-২০ ও ২১ পূরণে ব্যর্থতা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব দাখিল না করাসহ একাধিক ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়েছে।
যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে ৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৪টি বৈধ হয়েছে। তারা হলেন: ১. রশীদ আহমাদ (বিএনপি) ২. অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক (জামায়াত) ৩. জয়নাল আবেদীন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) ৪. অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল (স্বতন্ত্র)।
যশোর-৬ (কেশবপুর): এই আসনে ৫টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ৩টি বৈধ হয়েছে। তারা হলেন: ১. আবুল হোসেন আজাদ (বিএনপি) ২. অধ্যাপক মোক্তার আলী (জামায়াত) ৩. মো. মাহমুদ হাসান (এবি পার্টি)
জেলা রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আশেক হাসান জানান, এই ফলাফলই চূড়ান্ত নয়। যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে, তারা ৫ থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেতে পারেন। প্রার্থীদের সুবিধার্থে ৫ জানুয়ারির আগেই বাতিলের ‘সার্টিফাইড কপি’ সরবরাহ করা হবে।
যাচাই-বাছাইকালে জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম রাকিব, ডিডিএলজি রফিকুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) খান মাসুম বিল্লাহসহ সেনা, পুলিশ, বিজিবি, র্যাব এবং বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।