Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা

ধ্রুব নিউজ ডেস্ক ধ্রুব নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : রবিবার, ২৫ অক্টোবর,২০২৬, ০৬:২৬ এ এম
শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে মিলল ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার টাকা

ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের ঐতিহাসিক হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স প্রকাশ্যে গণনার ধারাবাহিকতায় পঞ্চম দফায় পাওয়া গেছে ৮৮ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ টাকা। শনিবার দিনভর অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে টাকা গণনা শেষে রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই টাকার হিসাব ঘোষণা করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন। সংগৃহীত দেশীয় নগদ অর্থের পাশাপাশি দানবাক্সে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সোনা, রুপা এবং বিশ্বের ১৮টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা পাওয়া গেছে। প্রাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার মধ্যে ছিল ৭ হাজার ৬৪৭ ভারতীয় রুপি, ১০০ বাহরাইনি দিনার, ৯৩ সৌদি রিয়াল, ৬৫ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিরহাম, ১৭ কাতারি রিয়াল, ১৩.৫০ ওমানি রিয়াল, ২৯ মার্কিন ডলার, ১৪ ব্রিটিশ পাউন্ড, ৭ ইউরো ৩৩ সেন্ট, ১১ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, ২০ থাই বাত, ১৫ মালদ্বীপের রুপিয়া, ১০ হংকং ডলার, ১ ব্রুনাই ডলার, ৫৫ নেপালি রুপি, ১০০ পাকিস্তানি রুপি, ৫০ রুবল এবং ৫০০ শ্রীলঙ্কান রুপি।

​অর্থ ও মুদ্রার পাশাপাশি ভক্ত ও দর্শনার্থীদের দেওয়া বিপুল পরিমাণ গবাদিপশুও অনুদান হিসেবে জমা হয়েছে। প্রাপ্ত মোট ৭টি গরুর মধ্যে ৪টি মাজারের ঐতিহ্যবাহী লঙ্গরখানায় জবাই করা হয় এবং বাকি ৩টি মাজারের খাদিমদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। অন্যদিকে দান হিসেবে আসা ৩১০টি ছাগলের মধ্যে ২১০টি লঙ্গরখানায়, ২৭টি শিন্নির রান্নায় ব্যবহার করা হয় এবং অবশিষ্ট ৪৮টি ছাগল খাদিমদের দেওয়া হয়। মাজারের আয়-ব্যয়ে শতভাগ স্বচ্ছতা ফেরাতে গত ২২ জুন প্রথম দফায় গণনা করে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা পাওয়া যায়, যার সাথে পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে ৫ লাখ টাকার চেক যুক্ত হয়ে দাঁড়ায় ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকায়। এরপর গত ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা, ১৫ আগস্ট তৃতীয় দফায় ৭০ লাখ ৮৮ হাজার ৬৭২ টাকা এবং ১৯ সেপ্টেম্বর চতুর্থ দফায় দানবাক্স ও ঐতিহ্যবাহী ডেক থেকে পাওয়া মোট ৮৮ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৬ টাকা গণনা করা হয়েছিল।

​মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিচালনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে চলতি বছরের ২৩ জুন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। গত ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এক সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, এখন থেকে শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্স প্রতিদিন গণনা করা হবে এবং সংগৃহীত অর্থের ৩৫ শতাংশ উন্নয়নকাজের জন্য সোনালী ব্যাংকে সংরক্ষিত থাকবে, বাকি ৬৫ শতাংশ দিয়ে প্রতিদিনের খরচ ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা প্রদান করা হবে। এছাড়া জেলা প্রশাসককে আহ্বায়ক করে গঠিত সাত সদস্যের একটি নতুন কমিটি মাজারের নিরাপত্তা ও উন্নয়নসহ সার্বিক বিষয় পরিচালনা করবে। তবে শনিবার টাকা গণনা শেষে সাংবাদিকদের জেলা প্রশাসক জানান, বর্তমানে প্রাপ্ত অর্থ ব্যাংকেই রাখা হবে এবং সেখান থেকে বিদ্যুৎ বিল, অন্যান্য ইউটিলিটি বিল ও আনসার সদস্যদের বেতন পরিশোধ করা হবে; পরবর্তীতে ম্যানেজার, অ্যাকাউন্ট্যান্ট ও কম্পিউটার অপারেটর—এই ৩ পদে নতুন লোক নিয়োগ সম্পন্ন হলেই ৬৫ ও ৩৫ শতাংশের বণ্টন নীতিটি পুরোদমে কার্যকর করা হবে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)