Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

২০ জুলাই ২০২৪: ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, বন্ধ সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : সোমবার, ২০ জুলাই,২০২৬, ১১:৩৮ এ এম
২০ জুলাই ২০২৪: ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট, বন্ধ সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

ছবি: সংগৃহীত

টানা দুই দিনের কমপ্লিট শাটডাউন। চারিদিকে শুধু বারুদ আর রক্তের দাগ। রাজধানী ঢাকা যেন এক যুদ্ধবিধ্বস্ত নগরী। ক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতার ক্ষোভ আছড়ে পড়েছে রাষ্ট্রীয় স্থাপনায়। অচল হয়ে গেছে পুরো দেশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৯শে জুলাই মধ্যরাত থেকে জারি হয় দেশব্যাপী কারফিউ। রাজপথে নামে সেনাবাহিনী।

২০শে জুলাই, শনিবার। সকাল থেকেই স্তব্ধ দেশ। ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট। বন্ধ সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ঢাকা তখন এক অবরুদ্ধ, বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। কিন্তু কারফিউর মধ্যেও থামেনি ক্ষোভ। রাজপথ আবার উত্তাল। এবার বুলেটের মুখে দাঁড়িয়েছে সাধারণ মানুষ।

এদিন ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন করে সংঘর্ষ বাঁধে। ঝরে যায় আরও ৩৮টি তাজা প্রাণ। এর মধ্যে শুধু ঢাকাতেই প্রাণ হারান দুই পুলিশ সদস্যসহ ২৫ জন। এছাড়া সাভার ও ময়মনসিংহে ৪ জন করে এবং গাজীপুর ও নরসিংদীতে ২ জন করে নিহত হন। লাশের মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হতে থাকে।

এরই মধ্যে শুক্রবার গভীর রাতে খিলগাঁও থেকে তুলে নেওয়া হয় আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামকে। ক্ষোভ আর আশঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়। তৎকালীন সরকার দাবি করে, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঢাল বানিয়ে বিএনপি-জামায়াত নৈরাজ্য চালাচ্ছে।’ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মানুষকে জিম্মি করার চেষ্টা চলছে।’  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা সাফ জানিয়ে দেন, কোনো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড সাধারণ শিক্ষার্থীরা সমর্থন করে না।

শনিবারও রণক্ষেত্র ছিল যাত্রাবাড়ী, উত্তরা, মিরপুর ও বাড্ডা। মিরপুরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মাঝে আগুন দেওয়া হয় মেট্রোরেলের কাজীপাড়া স্টেশনে। বন্ধ হয়ে যায় মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে ও হানিফ ফ্লাইওভার। ডিএমপি ঘোষণা করে, কারফিউ অমান্য করলেই এক বছরের জেল। আকাশে তখন চক্কর দিচ্ছিল র‍্যাবের হেলিকপ্টার। বঙ্গভবন ও গণভবনসহ সব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় বাড়ানো হয় সেনা পাহারা।

ঢাকার বাইরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে আগুন দেয় জনতা। ভবনে আটকা পড়েন শতাধিক মানুষ। পরে হেলিকপ্টার পাঠিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে যৌথ বাহিনী। সাভারের রেডিও কলোনি ও বাসস্ট্যান্ড এলাকাতেও দিনভর চলে দফায় দফায় সংঘর্ষ। পরে সেনা সদস্যরা এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।

সবুজ ঘাস আর পিচঢালা পথ যখন রক্তে লাল, ঠিক তখন গভীর রাতে এক ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। মিন্টো রোডের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় সরকারের মন্ত্রীদের মুখোমুখি হন আন্দোলনের তিন সমন্বয়ক। তারা পরিষ্কার জানিয়ে দেন, আট দফা দাবি না মানলে কোনো আলোচনা হবে না। বৈঠক শেষে তৎকালীন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো যৌক্তিক।’

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)