ধ্রুব ডেস্ক
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও জামায়াত প্রতিনিধি দল তেহরানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও জামায়াত প্রতিনিধি দল তেহরানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইরানের উদ্দেশে রওনা হন তারা।
সরকার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে এই সফরে নেতৃত্ব দিচ্ছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
এছাড়াও জানাজায় অংশ নিতে ঢাকা ছেড়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর প্রফেসর মো. মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ৩ সদস্যের একটি সংসদীয় প্রতিনিধি দল। তাদের সঙ্গে আরও যোগ দিয়েছেন মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা এবং এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এর বাইরেও জাতীয় সংসদের বেশ কয়েকজন সদস্য নিজ উদ্যোগে এই জানাজায় শরিক হতে তেহরান যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
সফরকালে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে শোক প্রকাশ ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ৪ জুলাই স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ দেশে ফিরবেন।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানের নতুন শাসনব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন খামেনি। ১৯৮০ সালে স্বল্প সময়ের জন্য তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।
ইরান-ইরাক যুদ্ধ শুরুর পর তিনি ইসলামী বিপ্লবী বাহিনীর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ তাকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।