ধ্রুব ডেস্ক
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত
প্রত্যেকটি স্কুল-কলেজকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত হতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আইনত একই রাষ্ট্রে অন্য কোনো পদ্ধতি থাকে না। ক্যামব্রিজ ও ব্রিটিশ কাউন্সিল পারমিসেবল। তবে তাদের কিভাবে রেগুলেটরির আন্ডারে আনা যায়, সে বিষয়েও আমরা আগামীতে উদ্যোগ নেব।
ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোকে নীতিমালার আওতায় আনার কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের সময়ে হেরিটেজ, কালচার, হিস্ট্রি, রিলিজিওন্সকে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাপিডিয়াতে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম। কিন্তু আমরা তখন ওদের (ইংলিশ মিডিয়ামকে মন্ত্রণালয়ের) রেগুলেটরিতে আনতে পারিনি। সেই সময় এই উদ্যোগটা নিয়েও নেয়া হয়নি। সেটা ভিন্ন গল্প। এবার আমার সাথে প্রতিমন্ত্রীর কথা হয়েছে। ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে কিভাবে মন্ত্রণালয়ের রেগুলেটরির আন্ডারে আনা যায়, সেই ব্যবস্থা আমাদের নিতেই হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তার সাথে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন।
এই সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকটি স্কুল-কলেজকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত হতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আইনত একই রাষ্ট্রে অন্য কোনো পদ্ধতি থাকে না। ক্যামব্রিজ ও ব্রিটিশ কাউন্সিল পারমিসেবল। তবে তাদের কিভাবে রেগুলেটরির আন্ডারে আনা যায়, সে বিষয়েও আমরা আগামীতে উদ্যোগ নেব।’
শিক্ষামন্ত্রী আরো জানান, তারা শিগগিরই কারিকুলাম বা পাঠ্যক্রম রিভিউ করবে।
এহছানুল হক মিলন বলেন, যেখানে যা পরিমার্জন করা প্রয়োজন, সেটা আমরা করব। সেজন্য আমাদের ইন্টার্নাল প্রিপারেশন নিতে হবে। যারা কারিকুলাম এক্সপার্ট রয়েছে, তাদের মধ্যেও সমন্বয় সাধন করা লাগবে।