ধ্রুব নিউজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো অনুযায়ী আজ রোববার সকালে দেশের ১৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আট লাখ পেনশনভোগী অক্টোবর মাসের বেতনের সঙ্গে জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বরের বকেয়া বাড়তি বেতনও হাতে পেয়েছেন। অর্থ বিভাগ সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
অর্থ বিভাগ জানায়, গত ২৫ অক্টোবরের মধ্যে যাদের পে-ফিক্সেশন বা বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, তারা প্রথম ধাপেই এই অর্থ পেয়েছেন। তবে যাদের পে-ফিক্সেশন এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তারা আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যেই বকেয়াসহ পুরো অর্থ পেয়ে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রায় ছয় লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষককে নতুন কাঠামোর আওতায় বেতন দেওয়ার প্রক্রিয়াও বর্তমানে চলমান রয়েছে।
এদিকে নতুন এই বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের পর বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অনেক কর্মচারীর মধ্যে জ্যেষ্ঠতা, গ্রেডের ক্রম এবং বাড়িভাড়া ভাতা নিয়ে কিছু জটিলতা ও অসংগতি দেখা দিয়েছে। এর ফলে কাঙ্ক্ষিত আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়া কিংবা পদোন্নতি পাওয়ার পরও আয় কমে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারের কাছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে লিখিত আবেদন জমা পড়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, উদ্ভূত এসব জটিলতা দ্রুত নিরসনে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, গত ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখেই এই কাঠামোতে ১ থেকে ১১ নম্বর গ্রেডের মূল বেতন ১০০ শতাংশ এবং ১২ থেকে ২০ নম্বর গ্রেডের মূল বেতন ১১৫ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বেতন বৃদ্ধি কয়েকটি ধাপে কার্যকর হচ্ছে। প্রথম ধাপে গত ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা ৪০ শতাংশ এবং ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে বাড়তি মূল বেতন পাচ্ছেন। পরবর্তীতে ২০২৭ ও ২০২৮ সালের বিভিন্ন ধাপে এই বেতনকাঠামো ও অন্যান্য ভাতার শতভাগ বাস্তবায়ন করা হবে।