চাহনির বিষ
তুমি ধনুক বটে অথচ তোমার চাহনি তীরের মত সোজা কলিজায় এসে বেঁধে
প্রেয়সীর মধু আবরণে তুমি নির্লিপ্ত প্রেমবাজ।
যোদ্ধার গর্জন সেখানে অপরিচিত, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখে না প্রতিবাদী ওদৃষ্টি।
মধু মেলায় তুমি স্বপ্নপুরুষ
স্বচ্ছ, হাল্কা বসন্তের মত নির্ভুল বাহুবিলাস তোমার।
সমস্ত বদনখানা যেন দেবতুল্য,যা জান্নাতের হুরকেও বিহ্বল করে তোলে।
সত্যি বলছি তোমার কামনা চাহনিতে বিষ আছে।
যার তিব্রতার টানে অপ্সরা ও অমৃত স্বাদে পান করে।
তোমার বুকের বামপাশে যার বাস, সে বেশ আদুরে স্বভাবসুলভে তোমার হৃদয় স্পর্শ করে,
এই বৈশাখী রাতেও বসন্ত এনেছে।
ঠিক যেন পানকৌড়ির মত।
জলে-স্থলে ভালবাসার রচনায় অম্লান।
পাল তোলা প্রেম
নদীর গহীন নীরবতার বুক চিরে তুমি আর আমি ।
কোথাও কেউ নেই,
পানকৌড়ি যুগল আমরা।
তোমায় আমায় মিলে যেন প্রাণের মেলা বসেছে প্রতিটি জলরাশির মাদকতায় নৃত্যে, ছন্দে
আমাদের চিরন্তন প্রেমের সাফল্য।
স্বর্গের সিঁড়ি মাড়িয়ে চলেছি, আমাদের নিবিড় আলিঙ্গনে।
পৃথিবীর সকল কোলাহল নির্জনতায় আমাদের প্রেমের পালক
যেন ছুঁয়ে শীতল চৈতন্য কণ্ঠে বলতে চাইছে...
এই একটুকরো সোপানে আমাদের সুখের রাজ্যে গল্প শুরু হয়েছে...
দোহে মিলে মিলে আজ জীবনের যত প্রাণ শান্ত স্রোতে ভেসে চলেছে অনন্তের পথে।
এমনি বুকের পাজড় স্পর্শ করে থাকতে চাই,
অন্তর থেকে অন্তরের ভাঁজে ভাঁজে।
হারাতে চাই তোমার এলোকেশের সুরের শিউরে ওঠা মৃদু মুর্ছনায়।
একটা নদী, শান্ত ঢেউ, একটা নৌকায় তুমি আর আমি পালহীন প্রেমের অন্তত যাত্রায়...