Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার্থে আমরা অস্ত্র উঁচিয়ে ধরি: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ধ্রুব নিউজ ডেস্ক ধ্রুব নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : রবিবার, ১৮ অক্টোবর,২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার্থে আমরা অস্ত্র উঁচিয়ে ধরি: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী কর্মসূচির সময় ব্যক্তিগত লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র হাতে নেওয়ার ঘটনার পেছনের কারণ স্পষ্ট করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তার দাবি, মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার্থেই তিনি ও তার নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা আবার যথাস্থানে রাখা হয়।

রোববার (১৮ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী এই ব্যাখ্যা দেন।

বিবৃতিতে ইশরাক হোসেন জানান, গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মসূচি চলাকালে একদল লোক মারমুখী ভঙ্গিতে তাদের গাড়িবহরের দিকে এগিয়ে আসে। আকস্মিক ওই পরিস্থিতিতে মারাত্মক নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হওয়ায় বাধ্য হয়েই তারা আত্মরক্ষামূলক অবস্থান নেন।

এলাকার দীর্ঘদিনের মাদক সমস্যার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গেন্ডারিয়ার ঘণ্টিঘর, মুন্সিটেক, করাতিটোলা ও এর আশপাশের এলাকায় মাদক ব্যবসা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার নিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ পেয়ে আসছেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই এ অভিশাপ দূর করতে তিনি নানা পদক্ষেপ নিচ্ছেন। গত জুনে মাদকসংক্রান্ত সংঘাতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ওই এলাকা পরিদর্শন করেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করেন।

মাদক নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী সমাধান হিসেবে মাদকের আস্তানার কাছে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন এবং জনবলসংকট দূর করতে সংশ্লিষ্ট থানায় আধাসরকারি পত্র দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে এসব উদ্যোগের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, পুলিশ প্রশাসন এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের যৌথ সিদ্ধান্তেই সাধারণ নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে ওইদিন সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি সেখানে যান। ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রথমেই গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের সক্রিয় উপস্থিতি ও সহযোগিতায় সন্দেহভাজন মাদকের আস্তানাগুলোতে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানের সাফল্যের কথা তুলে ধরে বিবৃতিতে বলা হয়, পুলিশের উপস্থিতিতে ওই এলাকার চার থেকে পাঁচটি অবৈধ ও অস্থায়ী মাদকের আস্তানা পুরোপুরি উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ সময় সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ হেরোইন ও হেরোইনজাতীয় মাদক, বিদেশি মদ, মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম, দেশীয় ধারালো অস্ত্র, নগদ টাকা এবং ছিনতাই করা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ছয়জনকে আটক করে জব্দ করা আলামতসহ গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

এদিকে, কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও ফটোকার্ড নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘটনার মাত্র কয়েক সেকেন্ডের খণ্ডিত দৃশ্য প্রচার করায় প্রকৃত চিত্র আড়ালে চলে গেছে। অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়টিকে একপেশেভাবে প্রচার করা হলেও মূল অভিযানে মাদক ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার এবং ছয় অপরাধীকে আটকের মতো গুরুত্বপূর্ণ অর্জনগুলোকে সচেতনভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে।

মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের অটল ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে ইশরাক হোসেন বলেন, ঢাকা-৬ আসনকে যেকোনো মূল্যে মাদকমুক্ত করা তার অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক অঙ্গীকার। জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় এই ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও অবিরাম অব্যাহত থাকবে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)