Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু, আজ ষষ্ঠী

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর,২০২৬, ০৮:২২ এ এম
শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু, আজ ষষ্ঠী

মন্ডপে মন্ডপে সাজানো হয়েছে প্রতিমা। ছবি: ধ্রুব নিউজ

 হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হচ্ছে আজ শুক্রবার। আজ দুর্গাষষ্ঠী। দেবীর মূল প্রতিমায় আজ থেকে পূজা হবে। আগামী বুধবার বিজয়া দশমী পর্যন্ত ছয় দিন ঢাকঢোল ও কাঁসরের বাদ্যে মুখর থাকবে পূজামণ্ডপগুলো।

আজ পূর্বাহ্ণ (সকাল) ৯টা ৫৭ মিনিটের মধ্যে দেবী দুর্গার ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীবিহিত পূজা হবে। সায়ংকালে (সন্ধ্যায়) দেবীর আমন্ত্রণ ও অধিবাস।

এবার দেবী দুর্গা আসছেন ঘোটকে (ঘোড়ায়)। বিদায় নেবেন নৌকায়। হিন্দু শাস্ত্রমতে, শ্বশুরবাড়ি কৈলাস থেকে কন্যারূপে দেবী বাপের বাড়ি বেড়াতে মর্ত্যলোকে আজ আসছেন। অসুর শক্তির কাছে পরাভূত দেবতারা স্বর্গলোকচ্যুত হয়েছিলেন। এই অশুভ শক্তিকে বিনাশ করতে একত্র হন দেবতারা। অসুর শক্তির বিনাশে অনুভূত হলো এক মহাশক্তির আবির্ভাব। দেবতাদের তেজরশ্মি থেকে আবির্ভূত হলেন অসুরবিনাশী দেবী দুর্গা।

সম্প্রীতি ও উৎসবের আমেজে যশোরে উদযাপিত হতে যাচ্ছে হিন্দু সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এবারের দুর্গোৎসব নির্বিঘ্ন, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে যশোর শহরের লালদীঘি পাড়ে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, যশোর জেলা শাখা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, যশোর জেলার আটটি উপজেলায় এবার দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে যশোর সদরে ১৩৫টি, অভয়নগরে ১৩৩টি, মনিরামপুরে ১৩১টি, কেশবপুরে ১০২টি, বাঘারপাড়ায় ৮২টি, ঝিকরগাছায় ৬১টি, চৌগাছায় ৫৩টি এবং শার্শায় ৩২টি মন্দির ও মণ্ডপ রয়েছে।

 আজ সকালে বোধন ও বিকেলে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে ২১ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে দুর্গোৎসব। পূজা উদযাপন পরিষদের কার্যালয়ে একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। এ কন্ট্রোল রুম থেকে সেনাবাহিনী, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, এনএসআই, ডিজিএফআই, বিজিবি, আনসার, ফায়ার সার্ভিস ও বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সার্বক্ষণিক সমন্বয় করা হচ্ছে।

 

এ ছাড়া প্রতিটি মণ্ডপে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, বিকল্প আলোর ব্যবস্থা, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং ২৪ ঘণ্টা স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় হিন্দু-মুসলিম প্রবীণদের সমন্বয়ে নিরাপত্তা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।

উৎসব চলাকালে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ক্ষতিকর ও উত্তেজনা সৃষ্টিকারী গান পরিবেশন থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

দুর্গোৎসবকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদার করতে জেলার প্রতিটি উপজেলায় হিন্দু-মুসলিম জনগোষ্ঠীর সম্মিলিত অংশগ্রহণে সম্প্রীতি শোভাযাত্রার আয়োজন করা হচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও এ উদ্যোগে সংহতি প্রকাশ করছেন।

পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা আশা প্রকাশ করেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এবারের দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ ও আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপিত হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও কামনা করেন তারা।

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)