আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আজ সোমবার পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিজ দল লেবার পার্টির এমপিদের চাপের মুখে রয়েছেন তিনি। মূলত এমপিরা চাইছেন তাঁকে সরিয়ে অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে নেতা বানাতে।
গতকাল রোববার সরকারের পক্ষ থেকে কথা বলতে গিয়ে ব্রিটিশ বাণিজ্যমন্ত্রী পিটার কাইল বলেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে অবহিত এবং দেশের জন্য যেটা ভালো, সেটাই তিনি করবেন। তবে স্টারমারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি কাইল।
কাইল জানান, স্টারমারকে সরানোর জন্য একটি পক্ষ চাপ প্রয়োগ করছে। কয়েক মাস ধরেই চাপের মুখে ছিলেন তিনি। গত শুক্রবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সে সংকট আরও তীব্র হয়। এদিন তাঁর প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম পার্লামেন্টের একটি উপনির্বাচনে জয়ী হন। গোটা বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বার্নহ্যামকে স্টারমারের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানানোর পথ তৈরি করে দেয়। তবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এর আগে যে কোনো চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়ানোর কথা বলেছিলেন।
কাইলের দেওয়া তথ্যানুসারে, স্টারমার এখন নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্কভাবে পরিকল্পনা করছেন। পাশাপাশি তিনি রাষ্ট্রীয় স্বার্থের ক্ষয়ক্ষতিও এড়ানোর চেষ্টা করছেন।
ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের তথ্য বলছে, গত শুক্রবার লেবার পার্টির এমপিরা স্টারমারকে সপ্তাহান্তের মধ্যে পদত্যাগের সময় জানাতে বলেন। যদি তিনি তা না করেন, তাহলে তারা স্টারমারকে জোরপূর্বক পদচ্যুত করবেন বলেও হুমকি দেন। চাপ সৃষ্টিকারী ওই এমপিরা আগে তাঁর অনুগত ছিলেন। লেবার পার্টির নিয়মানুসারে কোনো সদস্য নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চাইলে তাঁর সংসদীয় দলের অন্তত ২০ শতাংশ বা ৮১ জন এমপির সমর্থন পেতে হবে।
মাত্র দুই বছর আগে স্টারমার যুক্তরাজ্যে লেবার পার্টিকে জিতিয়ে এনেছিলেন। সে সময় ১৭৪ আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল দলটি। স্টারমারের আগে গত ১০ বছরে ছয়জন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরতে বাধ্য হয়েছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে জরিপে ভালো অবস্থানে নেই লেবার পার্টি। জনসাধারণের কাছে স্টারমারের জনপ্রিয়তা ব্যাপক হারে কমেছে। অন্যদিকে জরিপে এগিয়ে আছে ডানপন্থি দল রিফর্ম ইউকে।
অনেক লেবার এমপিরই ধারণা, নেতৃত্বে পরিবর্তন না আনলে পরের নির্বাচনে রিফর্ম ইউকের নাইজেল ফ্যারাজ জয়ী হবেন।
ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের তথ্য বলছে, গত শুক্রবার লেবার পার্টির এমপিরা স্টারমারকে সপ্তাহান্তের মধ্যে পদত্যাগের সময় জানাতে বলেন। যদি তিনি তা না করেন, তাহলে তারা স্টারমারকে জোরপূর্বক পদচ্যুত করবেন বলেও হুমকি দেন। চাপ সৃষ্টিকারী ওই এমপিরা আগে তাঁর অনুগত ছিলেন। লেবার পার্টির নিয়মানুসারে কোনো সদস্য নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চাইলে তাঁর সংসদীয় দলের অন্তত ২০ শতাংশ বা ৮১ জন এমপির সমর্থন পেতে হবে।
মাত্র দুই বছর আগে স্টারমার যুক্তরাজ্যে লেবার পার্টিকে জিতিয়ে এনেছিলেন। সে সময় ১৭৪ আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছিল দলটি। স্টারমারের আগে গত ১০ বছরে ছয়জন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরতে বাধ্য হয়েছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে জরিপে ভালো অবস্থানে নেই লেবার পার্টি। জনসাধারণের কাছে স্টারমারের জনপ্রিয়তা ব্যাপক হারে কমেছে। অন্যদিকে জরিপে এগিয়ে আছে ডানপন্থি দল রিফর্ম ইউকে।
অনেক লেবার এমপিরই ধারণা, নেতৃত্বে পরিবর্তন না আনলে পরের নির্বাচনে রিফর্ম ইউকের নাইজেল ফ্যারাজ জয়ী হবেন।