নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোর কোতয়ালি থানা পুলিশের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে গাড়ি আটকে রাখার অভিযোগের জবাবে সম্মেলন। ছবি: সংগৃহীত
যশোর কোতয়ালি থানা পুলিশের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে গাড়ি আটকে রাখার অভিযোগ অযৌক্তিক, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১২ মে) এক প্রেস রিলিজের মাধ্যমে এ দাবি করা হয়েছে। মোছা. হীরা খাতুন অবৈধভাবে গাড়ি আটকের ওই অভিযোগ করেছিলেন।
প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে যশোর কোতয়ালি থানার সামনে রিচম্যান শোরুমের বিপরীতে একটি 'রেড ওয়াইন' কালারের টয়োটা সিএইচআর হাইব্রিড গাড়ি (ঢাকা মেট্রো-২১-৪১১৩) দীর্ঘক্ষণ পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। কোনো মালিক বা চালককে খুঁজে না পাওয়ায় রাত ৮:১৫ মিনিটে পুলিশ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে জিডিমূলে গাড়িটি জব্দ করে।
পরবর্তীতে মাগুরা জেলার শালিখা থানার আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোছা. হীরা খাতুন থানায় এসে গাড়িটির মালিকানা দাবি করেন। তখন পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে জানানো হয় যে, গাড়ির সঠিক কাগজপত্র আদালতে উপস্থাপন করে সেখান থেকে হস্তান্তরের আদেশ নিয়ে আসলে গাড়িটি তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
পুলিশ জানায়, হীরা খাতুন অদ্যবধি আদালতের কোনো বৈধ আদেশনামা নিয়ে থানায় যোগাযোগ করেননি। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তিনি গত ১১ মে ঢাকায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পুলিশের বিরুদ্ধে গাড়ি অবৈধভাবে আটকে রাখার অভিযোগ করেছেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, হীরা খাতুন বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের মাগুরা জেলার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক। তার স্বামী মো. আলী হাসানের বিরুদ্ধে একাধিক চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
যশোর কোতয়ালী থানা পুলিশ স্পষ্ট করেছে যে, আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া গাড়িটি হস্তান্তর করা সম্ভব নয় এবং হীরা খাতুনের করা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
ধ্রুব/এস.আই