Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

ফিলিস্তিনি বন্দীদের কারাগারে কুমির রাখার পরিকল্পনা ইসরায়েলের

ধ্রুব ডেস্ক ধ্রুব ডেস্ক
প্রকাশ : শনিবার, ১৮ জুলাই,২০২৬, ০১:৩৬ পিএম
ফিলিস্তিনি বন্দীদের কারাগারে কুমির রাখার পরিকল্পনা ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনি বন্দীদের পালানো ঠেকাতে কারাগারের চারপাশে নীলনদের কুমির (নাইল ক্রোকোডাইল) রাখার পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে ইসরায়েল সরকার। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনি বন্দীদের পালানো ঠেকাতে কারাগারের চারপাশে নীলনদের কুমির (নাইল ক্রোকোডাইল) রাখার পরিকল্পনা এগিয়ে নিচ্ছে ইসরায়েল সরকার। এ লক্ষ্যে দেশটিতে সংরক্ষিত প্রাণীর তালিকা থেকে নাইল কুমিরকে সরিয়ে নতুন একটি আইনি শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যমের বরাতে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, বুধবার দেশটির পরিবেশমন্ত্রী ইদিত সিলমান এক আদেশে নাইল কুমিরকে ‘বিশেষ ব্যবস্থাপনায় থাকা বন্য প্রাণী’ হিসেবে পুনঃশ্রেণিবদ্ধ করেন। নতুন এই আইনি মর্যাদার ফলে নির্দিষ্ট শর্তে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো কুমির রাখতে পারবে।

এ সিদ্ধান্তের আগে কয়েক মাস ধরে এমন একটি পরিকল্পনার পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। গত ডিসেম্বরে তিনি ফিলিস্তিনি বন্দীদের জন্য এমন একটি কারাগার নির্মাণের প্রস্তাব দেন, যার চারপাশে থাকবে কুমির। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ‘অ্যালিগেটর আলকাট্রাজ’ নামে পরিচিত একটি অভিবাসী আটককেন্দ্র থেকে তিনি এ ধারণা পেয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন।

আপত্তি সত্ত্বেও পরিবেশমন্ত্রী পরিকল্পনাটি অনুমোদন দেন। পরে বেন-গভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় (এআই) তৈরি নিজের একটি ছবি প্রকাশ করেন, যেখানে তাকে একটি কুমিরের রশি ধরে থাকতে দেখা যায়। ছবির সঙ্গে তিনি লেখেন, ‘পালানোর কথা ভাবছ? আরেকবার ভেবে দেখো।’

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর অভিযোগ, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলের কারাগারগুলোতে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর নির্যাতন, অনাহারে রাখা এবং অমানবিক আচরণের ঘটনা বেড়েছে। কয়েকটি আটককেন্দ্রকে তারা ‘নির্যাতন শিবির’ বলেও বর্ণনা করেছে।

এদিকে পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো বলছে, কুমিরকে নিরাপত্তার কাজে ব্যবহার করা প্রাণী কল্যাণের নীতির পরিপন্থী। তাদের ভাষ্য, কুমির সংবেদনশীল প্রাণী; বেঁচে থাকার জন্য তাদের নির্দিষ্ট পরিবেশ, পানি, তাপমাত্রা ও স্বাভাবিক আচরণের সুযোগ প্রয়োজন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রাণী নয়, প্রচলিত নিরাপত্তাব্যবস্থার ওপরই নির্ভর করা উচিত।

তারা আরও বলেন, শীতকালে কুমিরের শারীরিক কার্যক্রম অনেক ধীর হয়ে যায় এবং তারা প্রায় খাওয়া বন্ধ করে দেয়। ফলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এ পরিকল্পার কার্যকারিতাও প্রশ্নবিদ্ধ।

ইসরায়েলে ২০১৩ সাল থেকে নাইল কুমির সংরক্ষিত প্রাণী হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিল। এর আগে দেশটিতে কুমিরের খামার পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হলেও পরে অনেক খামার কুমিরের চামড়া উৎপাদনের দিকে ঝুঁকে পড়ে। গত বছর দখলকৃত পশ্চিম তীরের একটি ইসরায়েলি বসতিতে অবস্থিত কুমিরের খামারে ২৫০টির বেশি নাইল কুমির হত্যা করেছিল ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এ ঘটনায় প্রাণী অধিকার সংগঠনগুলো তীব্র সমালোচনা করেছিল।
 

 

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)