Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

ঋণ আসার চেয়ে গেল দ্বিগুণ, তিন মাসে পরিশোধ ১৩৫ কোটি ডলার

ধ্রুব নিউজ ডেস্ক ধ্রুব নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর,২০২৬, ০১:১৭ এ এম
ঋণ আসার চেয়ে গেল দ্বিগুণ, তিন মাসে পরিশোধ ১৩৫ কোটি ডলার

মার্কিন মুদ্রা ডলার ছবি: সংগৃহীত

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই বৈদেশিক মুদ্রার হিসাবের খাতায় বড় ধরনের ঘাটতি দৃশ্যমান হয়েছে। অর্থছাড়ের চেয়ে দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হয়েছে বৈদেশি ঋণের আসলি ও সুদে। অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অর্থলগ্নি সংস্থা ও বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর কাছ থেকে যে পরিমাণ ঋণ এসেছে, তার দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ বিদায়ী পরিশোধে চলে গেছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই উদ্বেগের চিত্র উঠে এসেছে।

​প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর কাছ থেকে বাংলাদেশ ঋণ ও অনুদান মিলিয়ে মোট ৬৬ কোটি ২৩ লাখ মার্কিন ডলার ছাড় করতে পেরেছে। বিপরীতে একই সময়ে আগে নেওয়া ঋণের আসল ও সুদ বাবদ বৈদেশিক মুদ্রায় মেটাতে হয়েছে প্রায় ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ডলার। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক উৎস থেকে যে পরিমাণ বৈদেশিক তহবিল দেশে এসেছে, বাইরে চলে গেছে তার দ্বিগুণেরও বেশি।

​ইআরডির হিসেব অনুযায়ী, পরিশোধিত ১৩৫ কোটি ১২ লাখ ডলারের মধ্যে ৮৬ কোটি ডলার ছিল মূল ঋণের আসল এবং ৪৯ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে সুদের খাতে। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এবার পরিশোধের অংক প্রায় ৮ কোটি ডলার বেড়েছে; আগের বছরের এই সময়ে পরিশোধ করা হয়েছিল ১২৭ কোটি ৯৯ লাখ ডলার।

​ঋণ পরিশোধের চড়া চাপের মাঝেই বিদেশী অর্থছাড়ের গতি তলানিতে ঠেকেছে। গত তিন মাসে বৈদেশিক সহায়তার ছাড়ে বড় ধরনের স্থবিরতা দেখা গেছে। যেখানে গত অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশ প্রায় ১১৪ কোটি ৮৫ লাখ ডলার ছাড় পেয়েছিল, সেখানে এবার তা নেমে এসেছে মাত্র ৬৬ কোটি ২৩ লাখ ডলারে। ছাড় হওয়া তহবিলের মধ্যে ৫৪ কোটি ডলার এসেছে ঋণ হিসেবে এবং ১২ লাখ ডলার পাওয়া গেছে অনুদান বা ছাড় বাবদ।

​অবশ্য আশার কথা হলো, বৈদেশিক অর্থছাড় কমলেও নতুন সহায়তার প্রতিশ্রুতির অংকে সামান্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। প্রথম তিন মাসে ১২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের নতুন অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি মেলা নিশ্চিত হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৬ কোটি ডলার বেশি। তবে সার্বিক প্রতিশ্রুতি এগোলেও বরাবরের মতো পাশে থাকা প্রধান দাতাসংস্থা ও দেশগুলোর দিক থেকে উল্লেখযোগ্য সাড়া মেলেনি।

​চলতি প্রান্তিকে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), চীন, রাশিয়া কিংবা ভারতের মতো বড় কোনো উন্নয়ন সহযোগী নতুন কোনো ঋণের কার্যকর প্রতিশ্রুতি দেয়নি। ব্যতিক্রম কেবল জাপান—তারা এই সময়ে ৩৫ লাখ ডলারের ক্ষুদ্র প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে। মূলত নতুন প্রতিশ্রুতির সিংহভাগই ঝুলন্ত অবস্থায় থাকায় আগামী দিনগুলোতে অর্থছাড়ের চাকা কতটা দ্রুত ঘুরবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)