Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

সংকট কাটিয়ে কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে টাইগ্রেসরা?

ক্রীড়া ডেস্ক ক্রীড়া ডেস্ক
প্রকাশ : রবিবার, ২৪ মে,২০২৬, ১০:৫৬ পিএম
সংকট কাটিয়ে কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে টাইগ্রেসরা?

বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল ছবি: বিসিবি

টানা তিনটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজে একটি ম্যাচেও জয় পায়নি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। একমাত্র স্বস্তি বলতে গত জানুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়া। তবে ইংল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়ার আগে সেই স্বস্তির হাওয়া যেন কিছুটা ম্লান হয়ে গেছে। শ্রীলঙ্কা সিরিজের পর থেকে নিজেদের খামতিগুলো বেশ ভালোভাবেই টের পাচ্ছেন নারী দলের ক্রিকেটাররা।

দলের ভেতরের সমস্যাগুলো অবশ্য কারোরই অজানা নয়। ফ্ল্যাট উইকেটের সুবিধা নিতে না পারা, ধীরগতির ব্যাটিং আর পেসার সংকট—মূলত এগুলোই বড় বাধা। তবে এতসব সমীকরণ মাথায় নিয়েও গ্রুপ পর্বের পাঁচ ম্যাচের অন্তত তিনটিতে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আজ রাতে ও পরশু সকালে দুই ভাগে দেশ ছাড়ছেন ক্রিকেটাররা।

বিশ্বকাপের মূল লড়াইয়ে নামার আগে স্কটল্যান্ডে স্বাগতিক দল ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে নিগার সুলতানার দল। এই সিরিজ এবং বিশ্বকাপের দুটি প্রস্তুতি ম্যাচকে ইংল্যান্ডের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার দারুণ সুযোগ হিসেবে দেখছেন তাঁরা। আগামী ১৪ জুন বার্মিংহামে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ।

সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিয়ে বেশ সন্তুষ্ট অধিনায়ক নিগার সুলতানা ও প্রধান কোচ সরোয়ার ইমরান। গতকাল প্রথম আলোকে প্রধান কোচ জানান, ব্যাটারদের স্ট্রাইক রেট বাড়ানোর জন্য গত কয়েক মাস ধরে তাঁদের ডাউন দ্য উইকেটে খেলার বিশেষ অনুশীলন করানো হয়েছে। ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কা সিরিজ এবং অনুশীলনেও বাউন্সি উইকেটে খেলেছেন মেয়েরা। তাই ব্যাটিং নিয়ে আশাবাদী কোচ বলেন, “অনুশীলনে যে কাজগুলো করেছি, সেগুলো যদি তারা ম্যাচে করতে পারে, তাহলে আমাদের সব ব্যাটারের স্ট্রাইক রেটই ১০০-এর ওপরে থাকবে।”

আপাতত অধিনায়ক নিগার সুলতানার পুরো মনোযোগ স্কটল্যান্ড সিরিজের দিকে। তিনি বলেন, “স্কটল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের কন্ডিশন, আবহাওয়া ও উইকেট প্রায় একই রকম। এই সিরিজটি আমাদের ইংল্যান্ডে খেলার জন্য দারুণ সাহায্য করবে। আমরা যদি সিরিজটা জিততে পারি, তবে তা দলের আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দেবে।”

অবশ্য অধিনায়ক নিগারের নিজের ফর্ম নিয়েও কিছুটা দুশ্চিন্তা রয়েছে। ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি সিরিজে তিন ম্যাচে করেছেন মাত্র ২০ রান। তবে বিশ্বকাপে ঘুরে দাঁড়াতে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী নিগার, “সবাই চায় বিশ্বকাপে ভালো খেলতে। আমি যে পজিশনে ব্যাটিং করি, সেখানে দলের অনেক প্রত্যাশা থাকে। পরিস্থিতির চাহিদা অনুযায়ী আমি আমার সেরা অবদান রাখার চেষ্টা করব।”

দেশ বা বিদেশ—সবখানেই বাংলাদেশের বোলিংয়ের মূল শক্তি স্পিন। ইংল্যান্ডের কন্ডিশনেও সেই স্পিনের ওপরই ভরসা রাখছে দল, কারণ মাত্র একজন বিশেষজ্ঞ পেসার নিয়ে খেলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। প্রধান নির্বাচক সাজ্জাদ আহমেদের পর গতকাল প্রধান কোচ সরোয়ার ইমরানও স্বীকার করেছেন যে, ভালো বিকল্প না থাকায় মাত্র দুজন বিশেষজ্ঞ পেসার নিয়ে বিশ্বকাপে যেতে হচ্ছে। তবে বর্তমান দল নিয়েই আশাবাদী কোচ, “ব্যাটিং, ফিল্ডিং আর স্পিন বোলিং—এই তিনটি বিভাগকে আমরা শক্তিশালী করতে চাই। পেস বোলিং নিয়ে আমরা খুব একটা মাথা ঘামাচ্ছি না। মারুফা যদি শুরুতেই ভালো ব্রেক-থ্রু দিতে পারে, তবে আমরা যেকোনো দলকে হারাতে পারব।”

স্পিন বিভাগে বাংলাদেশের বড় ভরসা অভিজ্ঞ নাহিদা আক্তার। নিজের দায়িত্ব নিয়ে সচেতন নাহিদা বলেন, “আমাদের চ্যালেঞ্জ নেওয়ার ক্ষমতা আছে। চ্যালেঞ্জ নিতে না পারলে তো উন্নতি করা যাবে না। যেকোনো পরিস্থিতিতে বোলিং করার সামর্থ্য আমাদের রয়েছে।”

এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রতিপক্ষ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের সঙ্গে শক্তির ব্যবধান কিছুটা বেশি মানলেও কোচ সরোয়ার ইমরানের বিশ্বাস, “যেহেতু ফরম্যাটটা টি-টোয়েন্টি, তাই আমাদের বিশ্বাস আছে যে আমরা যেকোনো দলকে হারাতে পারি।”

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)