নিজস্ব প্রতিবেদক
পিতার হাতের সেই কোদাল, আজ সন্তানের হাতে। পাঁচ দশকের ব্যবধান ঘুচিয়ে শার্শার উলাশীতে ফিরে এলো এক ঐতিহাসিক পরম্পরা। ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যেখানে দেশের প্রথম খাল খনন কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন, ঠিক সেই মাটিতেই দাঁড়িয়ে আজ এক আবেগঘন অধ্যায়ের পুনর্জাগরণ ঘটাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আরো পড়ুন-
প্রধানমন্ত্রী যশোরে, যাচ্ছেন উলশীতে
উলাশী খালের প্রতিটি জলতরঙ্গে আজও মিশে আছে জিয়ার সেই দর্শনিক আহ্বান। দীর্ঘ ৫০ বছর অযত্ন আর অবহেলায় ম্লান হতে বসা সেই স্মৃতি আজ যেন ফিরে পাবে প্রাণ। প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে কোদাল চালিয়ে এই পুনঃখনন কাজের সূচনা করবেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রজন্ম মুখোমুখি হবে সেই বিরল দৃশ্যের। এটি শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন হবে না; বরং তা হবে ইতিহাসের এক উত্তরাধিকারী মেলবন্ধন। পিতার অসমাপ্ত বিপ্লবকে পূর্ণতা দেওয়ার এই দৃশ্যপট উপস্থিত হাজারো মানুষের হৃদয়ে এক গভীর আবেগ ও গর্বের আবহ তৈরি করবে।
উলাশীর জিয়া চত্বরে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী যখন স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলবেন তখন উন্নয়ন আর সম্পর্কের এই ধারাবাহিকতা এক ভিন্ন রূপ পাবে।
উলাশীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট ভবনের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। যে কলেজের সূচনা করেছিলেন তারই মা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এরপর বিকেলে যশোর ঈদগাহ ময়দানে আয়োজিত বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন তিনি। পিতার হাতে শুরু হওয়া সেই কৃষি বিপ্লবের আদর্শ আর বর্তমানের আধুনিক উন্নয়ন—এই দুইয়ের সমন্বয়ে যশোর আজ এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হচ্ছে।