Ad for sale 990 x 90 Position (1)
Position (1)
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬
Ad for sale 870 x 100 Position (2)
Position (2)

জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

বাসস বাসস
প্রকাশ : শনিবার, ৮ আগস্ট,২০২৬, ১১:৫৮ পিএম
জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম ঢাকা সেনানিবাসে ডিজিএফআই কমপ্লেক্সে থাকা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: বাসস

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর নির্যাতনের তথ্য বিভিন্ন সাক্ষীর বর্ণনায় পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন (প্রতিফলিত) হবে।’

আজ শনিবার ঢাকা সেনানিবাসে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) কমপ্লেক্সে থাকা জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন শেষে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘বিচারের অংশ হিসেবে আজ আমরা ডিজিএফআইয়ের কমপ্লেক্সের ভেতরে জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেল (জেআইসি) পরিদর্শন করেছি। এই জেআইসি নামক প্রতিষ্ঠানটি ছিল মানুষকে ধরে এনে বন্দী করে রেখে তাঁদের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতনের একটা সেল। যেটা পরবর্তী সময়ে “আয়নাঘর” হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সেখানে বন্দীদের ধরে এনে অমানবিকভাবে দিনের পর দিন, মাসের পর মাস, বছরের পর বছর রাখা হয়েছে। সেই নির্মম চিত্র আজকে এই পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে কিছুটা অনুভব করা গেছে।’

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আজ যে জেআইসি আমরা পরিদর্শন করেছি, এক-এগারোর সময় আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তারই কোনো একটি কামরায় আনা হয়। তাঁর ওপর নির্যাতন করা হয়েছিল, এটাও কিন্তু আমাদের ইনভেস্টিগেশনে (তদন্তে) বিভিন্ন সাক্ষীদের মুখের বর্ণনা থেকে পাওয়া গেছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো বিচারে রিফ্লেকশন হবে।’

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, দেশের কোনো নাগরিক যদি কোনো অপরাধ করে থাকেন, তাঁকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে এবং তাঁকে বিচারের সম্মুখীন করতে হবে। কিন্তু এক্সট্রা জুডিশিয়াল কোনো কিলিংয়ের (বিচারবহির্ভূত হত্যা) শিকার যাতে কোনো নাগরিক না হন। কেউ যাতে কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্বারা অহেতুক হয়রানির শিকার না হন। কেউ যেন বন্দিশালায় দিনের পর দিন, মাসের পর মাস হয়রানির শিকার না হন।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একটি অমানবিক রাষ্ট্র কায়েম করা হয়েছিল উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সংখ্যক অতি উৎসাহী সদস্য সরকারের কিছু অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য এই আয়নাঘর–নামীয় টর্চার সেলগুলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনালের সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী, চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ প্রসিকিউশন টিম ও আসামিপক্ষের আইনজীবী, ডিজিএফআইয়ের প্রধান, নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, ল রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মো. ইয়াসিন, সাধারণ সম্পাদক আরাফাত মুন্না, সুপ্রিম কোর্ট রিপোর্টার্স ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, কার্যনির্বাহী সদস্য মাজহারুল হক আজকের পরিদর্শনে অংশ নেন।

ধ্রুব নিউজের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

💬 Comments

Login | Register
Ad for sale 270 x 225 Position (3)
Position (3)
Ad for sale 990 x 90 Position (4)
Position (4)