নিজস্ব প্রতিবেদক
ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ঘটনায় শোকাহত যশোরের সাধারণ মানুষ। আজ রোববার জোহরের নামাজের পর শহরের বিভিন্ন মসজিদে আগত মুসুল্লিদের মুখে মুখে ছিল এই বর্বরোচিত হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদের ভাষা।
শহরের যশোর মডেল মসজিদ এবং আলীগড় মসজিদ এলাকায় স্থানীয় মুসুল্লিদের সাথে কথা বললে তারা এই ঘটনাকে 'মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে বড় ষড়যন্ত্র' হিসেবে অভিহিত করেন।
নামাজ শেষে বের হওয়া প্রবীণ এক মুসুল্লি বলেন, আয়াতুল্লাহ খামেনি শুধু ইরানের নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের এক প্রতীক। তার এই মৃত্যু মুসলিম বিশ্বের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমরা এই একতরফা হামলার তীব্র নিন্দা জানাই।
আলীগঞ্জ মসজিদ এলাকার এক যুবক মুসুল্লি ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, আমেরিকা ও ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যকে ধ্বংস করার যে নীল নকশা এঁকেছে, খামেনিকে হত্যা তারই অংশ। সারা বিশ্বের মুসলিমদের এখন ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া কোনো পথ নেই।"
সকাল থেকেই চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অফিস-আদালত, সব জায়গাতেই আলোচনার মূল বিষয় ছিল ইরানের এই সংকটময় পরিস্থিতি। যশোরের সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, এই হত্যাকাণ্ডের ফলে বিশ্ব এক ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে। শহরের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে এই হামলার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।