ধ্রুব রিপোর্ট
❒ জজকোট আদালত ভবন ছবি: ধ্রিুব নিউজ
ঘুষের ১ লাখ ২০ হাজার টাকাসহ হাতেনাতে আটক হওয়া যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) যশোরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক এম. এম. মোর্শেদ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে জব্দকৃত ঘুষের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে (ট্রেজারি) জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দুদকের সহাকারী পরিচালক রুহুল আমিন বাদী হয়ে মামলা মামলা করেছেন।
এর আগে বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোর কার্যালয়ের একটি টিম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
মামলার এজহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষক মো. নুরুন্নবীর স্ত্রী শিরিনা আক্তার ঝিকরগাছার কাউরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। গত বছরের ২ অক্টোবর তার মৃত্যুর পর পেনশনের টাকার জন্য নুরুন্নবী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগাযোগ করেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশরাফুল আলম গত তিন মাস ধরে তাকে নানাভাবে হয়রানি করে আসছিলেন। এর আগে পেনশনের কাজ শুরুর জন্য তিনি নুরুন্নবীর কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেন।
পরবর্তীতে আরও টাকার দাবি করলে এবং বিভাগীয় এক কর্মকর্তার মাধ্যমে মরহুমার 'বেসিক' কমিয়ে দেওয়ার ভয় দেখালে নুরুন্নবী বিষয়টি দুদককে অবহিত করেন। বুধবার বিকেলে নুরুন্নবী যখন দাবিকৃত ১ লাখ ২০ হাজার টাকা আশরাফুল আলমের কক্ষে তাকে দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন ও সহকারী পরিচালক মো. আল আমিনের নেতৃত্বে একটি টিম সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে আটক করে।
আটকের পর দুদকের পক্ষ থেকে দুর্নীতি দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।